অঙ্কে ফেল করেছেন, তাও পাশের করানোর দাবি তুলে বিক্ষোভ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে!, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

অঙ্কে ফেল করেছেন, তাও পাশের করানোর দাবি তুলে বিক্ষোভ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে!, বাংলার মুখ

Spread the love

ফের শিরোনামে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। অঙ্কে ফেল করেছেন বহু পড়ুয়া। যার ফলে তাঁরা স্কলারশিপের জন্য আবেদন করলেও মনোনীত হননি। এই অবস্থায় অবিলম্বে অঙ্কে পাশ করিয়ে দেওয়ার দাবি জানালেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ইঞ্জিনিয়ারের পড়ুয়াদের একাংশ। এই দাবিতে সোমবার ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ভাস্কর গুপ্ত এবং কয়েকজন আধিকারিককে তাঁরা ঘেরাও করে রাখেন। তবে উপাচার্যের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন পড়ুয়াদের এই দাবি সমর্থনযোগ্য নয়।

আরও পড়ুন: ‘আমরা স্বাধীনতা চাই’ প্রথমবর্ষের হস্টেলে উঠল আওয়াজ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শঙ্কা

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে স্কলারশিপের জন্য আবেদন করেছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দুই ছাত্র। তবে জানা যায়, তাঁরা দুজনেই অঙ্কে ফেল করেছেন। মার্কশিট জালিয়াতি করে নম্বর বাড়িয়েছেন। সে বিষয়টি জানতে পেরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্কলারশিপের জন্য তাঁদের আবেদন গ্রহণ করেনি। এরপর পড়ুয়ারা উচ্চ শিক্ষা দফতরে যান। সেখানেও মার্কশিট জালিয়াতির বিষয়টি সামনে আসে। এরপরে ছাত্রদের এমন মার্কশিট বিকৃতি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে সতর্ক উচ্চশিক্ষা দফতর। তখন বিশ্ববিদ্যালয় মার্কশিট নিয়ে কড়াকড়ি শুরু করে দেয়। অভিযোগ উঠেছে, এই সব পড়ুয়ারা সিনিয়রদের কথা শুনে এই কাজ করেছিলেন।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, সেমেস্টারে অঙ্কে উত্তীর্ণ না হলে বা ফেল করলে পড়ুয়ারা স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। জানা গিয়েছে, এ বছর শতাধিক পড়ুয়া অঙ্কে সাপ্লিমেন্টারি পেয়েছেন। ফলে তাঁরা কেউই তাঁরা স্কলারশিপের জন্য মনোনীত হবেন না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, তাঁদের স্কলারশিপ দেওয়া হবে না। এর পরেই পড়ুয়াদের একাংশ উপাচার্যকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। রাত পর্যন্ত চলে পড়ুয়াদের বিক্ষোভ। সবমিলিয়ে ৩০ থেকে ৪০ জন পড়ুয়া এ দিন বিক্ষোভ দেখান।

উপাচার্য জানান, এমনটা হতে পারে, তা তিনি ভাবতেই পারেননি। তাঁর মতে, আজব দাবিতে আন্দোলন করছেন এইসব পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি কোনওভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। ছাত্রসমাজও তাঁদের আন্দোলনকে সমর্থন করবে না। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতিও এই আন্দোলনকে সমর্থন করেনি। তাদের বক্তব্য, এই আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। এতে ছাত্রদের কোনও উপকার হবে না।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *