ইভটিজিংয়ের কথা ফালতু! পানাগড় কাণ্ডে বিস্ফোরক পুলিশ, বলল ‘সুতন্দ্রাদের গাড়িই….’, বাংলার মুখ
ইভটিজিংয়ের ঘটনা ঘটেনি। বরং দুটি গাড়ির রেষারেষির জেরে যে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তাতেই নৃত্যশিল্পী সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করল পুলিশ। সোমবার আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার সুনীল চৌধুরী দাবি করেন, রবিবার রাতে ইভিটিজিংয়ের কোনও ঘটনা ঘটেনি। পুরোটাই কুৎসা। বিভ্রান্তির ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বরং যাদের বিরুদ্ধে ইভটিজিংয়ের অভিযোগ উঠেছে, তাদের গাড়ির সঙ্গে সুতন্দ্রাদের গাড়ির রেষারষি চলছিল। এমনকী সুতন্দ্রাদের গাড়িই অভিযুক্তদের গাড়িকে ধাওয়া করছিল বলে দাবি করেছে পুলিশ।
আর পুলিশ কমিশনার যখন সেইসব কথা বলছেন, তখনও পর্যন্ত একজন অভিযুক্তকে ধরতে পারেনি। তারপরও কীভাবে ওই যুবকদের ইভটিজিংয়ের অভিযোগ থেকে ক্লিনচিট দিলেন, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার। তিনি বলেন, ‘গয়া যাওয়ার কথা ছিল। ওরা দু’নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়েও যেতে পারত। চালক এবং মৃতের সঙ্গে আরও যে যাত্রী ছিলেন, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। তাঁরা যে লিখিত অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন, তার মধ্যে বেসিক্যালি দুটি গাড়ির মধ্যে রেষারেষির কথা বলা আছে।’
পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, ‘আমরা আজ সকাল থেকে দেখলাম, বিভিন্ন মিডিয়ায় দেখলাম যে মোটিভেটেড ক্যাম্পেন চলছে। তার কোনও ভিত্তি নেই। কোনওরকম তথ্য যাচাই করে আজ সকাল থেকে সেটা চলছে। এর পিছনে কী মোটিভ আছে, সেটা আমরা দেখব। কুৎসা, বিভ্রান্তির ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তদন্ত করে আমরা এখনও পর্যন্ত যে তথ্য পেয়েছি, তার ভিত্তিতে তাঁদের বিরুদ্ধে কিছু ব্যবস্থা নেব।’
সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, ‘এফআইআর এবং বাকিদের বয়ানের ভিত্তিতে আমরা এটাই বলতে পারি যে এখানে ইভটিজিংয়ের কোনও ঘটনা হয়নি। এখানে ইভটিজিংয়ের কোনও ঘটনা নেই। এখানে পিওর দুটি গাড়ির মধ্যে (রেষারেষি)। ওভারটেক করার মাধ্যমে পুরো বিষয়টা শুরু হয়েছিল। তারপরে পুরো ঘটনাটি সিসিটিভি ফুটেজে আছে। তাহলেই দেখতে পারবেন, যে গাড়িটা ধাওয়া করেছিল, দুষ্কৃতীরা ধাওয়া করেছিল, সেটা আদৌও হয়নি। প্রাথমিকভাবে দুটি গাড়ির মধ্যে হালকা ধাক্কাধাক্কি হয়েছিল। তারপর ক্লিয়ারলি ভিক্টিমের গাড়ি চেজ করছিল অন্য গাড়িকে।’
(বিস্তারিত পরে আসছে)