Voter Card: হরিয়ানার ভোটার ভোট দেন মুর্শিদাবাদেও! চোখ কপালে নির্বাচন কমিশনেরও – Bengali News | Murshidabad And Hariyana Voter’s Epic Number Match
এপিক নম্বর মিলে গেলImage Credit source: Tv9 Bangla
মুর্শিদাবাদ: ফের ধরা পড়ল ভুয়ো ভোটার। চম্পাহাটি পঞ্চায়েতের ভোটার তালিকায় উত্তরবঙ্গের ভোটার। কিন্তু এটা তো হিমশৈলর চূড়া। টিভি ৯ বাংলার অর্ন্ততদন্তে প্রকাশ্যে এল আরও বড় তথ্য। মুর্শিদাবাদের রানিনগরের এক ভোটারের এপিক নম্বর, সেই একই নম্বরে ভিন্ন-ভিন্ন ভোটার রয়েছেন। জানা যাচ্ছে, হরিয়ানার বারওয়ালা বিধানসভায় এক ভোটারের এপিক নম্বরের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে রানিনগরের ভোটারের এপিক নম্বর। একই ছবি দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরেও । প্রশ্ন উঠছে হরিয়ানার ভোটার কি তবে মুর্শিদাবাদে? ভোটার কার্ডের এপিক নম্বর এক কিন্তু ভোটার আলাদা।
মুর্শিদাবাদের রানিনগর ২ নম্বর ব্লকের ভোটার গোলাম মাসুম। তাঁর ভোটার কার্ডের এপিক নম্বর আর হরিয়ানায় বসবাসকারী আর এক ব্যক্তির এপিক নম্বর পুরো এক। এদিকে, গোলামের দাবি, হরিয়ানা তো দূরের কথা তিনি কোনওদিন রাজ্যের বাইরে যাননি। তবে শুধু গোলাম নন, রানিনগরের প্রায় পনেরো জনের মতো ভোটারের এপিক নম্বর মিলে যাচ্ছে হরিয়ানার ভোটারদের এপিক নম্বরের সঙ্গে। গোটা বিষয় সামনে আসতেই জেলা নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ ভোটাররা।
ভোটার কার্ড
এ প্রসঙ্গে মহম্মদ পিন্টু শেখ বলেন, “একই নম্বরে দুই নাম। হরিয়ানাতে আছে। আমি অনেকবার ভোট দিয়েছি। একই নম্বর রয়েছে হরিয়ানাতেও।” আরও এক ব্যক্তি বলেন, “আমি বাইরে একবার কাজের জন্য গিয়েছিলাম। কিন্তু ভোট তো এখানেই দিয়েছি।” আরও এক বলেন, “আমার এপিক নম্বর অন্য রাজ্যের মানুষের সঙ্গে মিলে গিয়েছে।”
স্থানীয় তৃণমূল নেতা বলেন, “এটা বিজেপির চক্রান্ত। তদন্ত করুক নির্বাচন কমিশনার।”
ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দিব্যেন্দু দাস বলেন, “না, এরকম হয় না। কার্ডের নম্বর আলাদা হয়। প্রতি ইউনিট আলাদা হয়। এই ধরনের অভিযোগের তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। যিনি ERO রয়েছেন তাঁর দায়িত্ব ভোটার কার্ড চেক করার। ভুল ভ্রন্তি হলে তিনি সেই কার্ড বাতিল করে দেন। অনুমতি বা বাতিলের দায়িত্ব তাঁর। এসব অভিযোগ ছাড়াও অন্য কোনও কারণে কার্ড নকল হলে প্রসাশন দেখবে। এফআইআর পেলে প্রসাশন সেটি পদক্ষেপ নেবে।”
