Maha Kumbh: কুম্ভস্নানে স্বামী-স্ত্রী, ছেলেকে ফোনে বাবা বলল, 'মা হারিয়ে গিয়েছে', এদিকে হোটেল রুমেই কি না...দৃশ্য দেখে বুক কেঁপে গেল পুলিশেরও - Bengali News | Delhi Man Brings Wife to Maha Kumbh, Calls Son saying She is Lost, Her Dead Body found in Hotel Bathroom, How This Mystery is Solved - 24 Ghanta Bangla News
Home

Maha Kumbh: কুম্ভস্নানে স্বামী-স্ত্রী, ছেলেকে ফোনে বাবা বলল, ‘মা হারিয়ে গিয়েছে’, এদিকে হোটেল রুমেই কি না…দৃশ্য দেখে বুক কেঁপে গেল পুলিশেরও – Bengali News | Delhi Man Brings Wife to Maha Kumbh, Calls Son saying She is Lost, Her Dead Body found in Hotel Bathroom, How This Mystery is Solved

Spread the love

স্ত্রীকে কুম্ভে নিয়ে গিয়ে খুন। Image Credit source: X

প্রয়াগরাজ: স্বামী-স্ত্রী মিলে কুম্ভ স্নানে গিয়েছেন। সন্তানদের মহাকুম্ভে স্নানের ছবিও পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু রাতেই ছেলে-মেয়েকে ফোন বাবার। বললেন, “তোমাদের মা কুম্ভের ভিড়ে হারিয়ে গিয়েছে। আমি অনেক খুঁজছি, কিন্তু কোথাও পাচ্ছি না”। ছেলে-মেয়ে যখন মায়ের চিন্তা করছে, তখন গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়ালেন বাবা। তার কারণ, তিনি তো জানেন বউ হারিয়ে যায়নি। তাহলে কোথায় গেলেন ওই মহিলা? উত্তরটা হল, মহাকুম্ভের একটি গেস্ট হাউসের শৌচালয়ে। সেখানেই তিনি স্ত্রীর গলা কেটে ফেলে এসেছেন।

মহাকুম্ভের শেষ লগ্নে এসে ঘটল হাড়হিম করা হত্যাকাণ্ড। দিল্লির এক বাসিন্দা তাঁর স্ত্রীকে কুম্ভস্নানের অছিলায় প্রয়াগরাজে এনে খুন করলেন। খুনের পর দেহ ফেলে রেখেই পালিয়ে যান তিনি। তবে পুলিশি তৎপরতায় এবং সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই রহস্য উদঘাটন হল খুনের।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত দিল্লির ত্রিলোকপুরীর বাসিন্দা। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি স্ত্রীকে নিয়ে উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে যান কুম্ভস্নান করতে। সেখানে তারা স্নান করেন। ছেলে-মেয়েকে কুম্ভস্নানের ছবি ও ভিডিয়োও পাঠান অভিযুক্ত। রাতে তারা ওঠেন ঝুনসি থানার অন্তর্গত একটি গেস্টহাউসে।

কুম্ভের পুণ্যার্থীদের ভিড় থাকায়, গেস্ট হাউসের মালিকও কোনও পরিচয়পত্র জমা নেননি। শুধু রেজিস্টারে নাম লিখেই রুম দিয়ে দেন। পরেরদিন, ১৯ ফেব্রুয়ারির সকালে গেস্ট হাউস থেকে পুলিশে ফোন যায়। জানানো হয়, একটি ঘরের শৌচাগারে এক মহিলার রক্তাক্ত দেহ পড়ে রয়েছে। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় যে ধারাল কোনও বস্তু দিয়ে ওই মহিলার গলা কেটে দেওয়া হয়েছে। এরপরই পুলিশ ওই মহিলার পরিচয় জানতে তার ছবি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করা হয় এবং সংবাদপত্রে প্রকাশ করা হয়।

ওই ছবি দেখেই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন মহিলার দাদা ও তাঁর দুই ছেলে। তারা প্রয়াগরাজে এসে দেহ শনাক্ত করে। স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। দিল্লিতে এসে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হলে, তিনি স্বীকার করে নেন যে নিজেই স্ত্রীকে খুন করেছেন। বিগত ৩ মাস ধরেই তিনি খুনের পরিকল্পনা করছিলেন। তাঁর একটি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। স্ত্রী-র থেকে মুক্তি পেতেই কুম্ভে নিয়ে গিয়ে খুনের পরিকল্পনা করেন তিনি।

পরিকল্পনা মাফিক ১৭ ফেব্রুয়ারি স্ত্রীকে নিয়ে কুম্ভের উদ্দেশে রওনা দেন। ১৮ তারিখ তারা গেস্ট হাউসে ওঠেন। রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বচসা হয়। স্ত্রী বাথরুমে গেলে, সেই সুযোগে পিছন থেকে এসে ছুরি দিয়ে গলা কেটে দেন। এরপর পোশাক বদলে পালিয়ে যান।

অপরাধ লুকাতে তিনি নিজের ছেলেকে ফোন করেন এবং বলেন, দুপুরে কুম্ভমেলায় গিয়ে স্ত্রী হারিয়ে গিয়েছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা খুঁজেও স্ত্রী-কে পাননি। এদিকে, বাবার কথা শুনে সন্দেহ হয় ছেলেরও। ২০ তারিখ তারাও কুম্ভে এসে পৌঁছন এবং মায়ের ছবি হাতে নিয়ে খুঁজতে শুরু করেন। খুঁজতে খুঁজতেই তারা পুলিশের কাছে পৌঁছন। সেখানেই দুয়ে দুয়ে চার হয়ে যায় গোটা ঘটনা।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *