সৈকতনগরীতে নয়া ট্যুরিস্ট স্পট গড়ছে দিঘা–শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ, জগন্নাথ মন্দির কত দূরে?‌ - 24 Ghanta Bangla News
Home

সৈকতনগরীতে নয়া ট্যুরিস্ট স্পট গড়ছে দিঘা–শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ, জগন্নাথ মন্দির কত দূরে?‌

Spread the love

অক্ষয় তৃতীয়ার দিন দিঘার জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধন হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তেমনই ঘোষণা করেছেন। কিন্তু দিঘা এবার শুধু জগন্নাথ মন্দিরে থেমে থাকছে না। বরং এখানে এবার গড়ে উঠছে নেচার পার্ক। যেখানে পর্যটকরা বসে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে পারবেন। সুতরাং সমুদ্র, জগন্নাথ মন্দির এবং নেচার পার্ক একসঙ্গে উপভোগ করতে পারবেন পর্যটকরা। তবে এই নেচার পার্ক দিঘার জগন্নাথ মন্দির থেকে খুব দূরে নয়। বরং মন্দিরের সামনের বনাঞ্চলে ‘নেচার পার্ক’ গড়ে তুলছে দিঘা–শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ।

দিঘাকে যে পর্যটনের শীর্ষে নিয়ে যাওয়া হবে তা আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেটাই ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে। দিঘায় জগন্নাথ ধামের ঠিক বিপরীত দিকে ঝাউগাছে ঘেরা বনাঞ্চলের মধ্যে গড়ে উঠছে নেচার পার্ক। তার কাজ এখন চলছে জোরকদমে। প্রকৃতির কোলে এই পার্কে পর্যটকরা আলাদা আমেজ পাবেন। আর শিশু যারা আসবে তারা আনন্দ পাবে। নিরিবিলি পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে সময় কাটানোর জন্য। দেখা যাবে সমুদ্রসৈকত। এই নেচার পার্কের প্রবেশপথে বসানো হয়েছে দুটি জিরাফের মডেল। অক্ষয় তৃতীয়ার দিনে ৩০ এপ্রিল জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন:‌ মলদ্বারে কোটি টাকার সোনা লুকিয়ে পাচারের চেষ্টা, ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে রুখল বিএসএফ

জগন্নাথ মন্দির দেখতে যেসব পর্যটকরা আসবেন তাঁদের বাড়তি আকর্ষণের জায়গা হয়ে উঠবে এই নেচার পার্ক। এখানে অনেকটা সময় কাটাতে পারবেন পর্যটকরা। তার জন্যই এই উদ্যোগ নিয়েছে দিঘা–শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ। এই পর্ষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দিঘার জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের অনেক আগেই এই নেচার পার্ক তৈরি হয়ে যাবে। এই নেচার পার্কে থাকবে নানা প্রাণী ও উদ্ভিদের মডেল। এই নেচার পার্ক তৈরি করতে দিঘা–শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ এক কোটি টাকা খরচ করছে। এই বনাঞ্চলে ঝাউ–সহ অন্যান্য গাছে প্রচুর পাখির আনাগোনা লেগেই থাকে। পাখিদের জন্য তাই থাকছে ঝুলন্ত খাঁচা, হাঁড়ি।

পূর্ত দফতরের পক্ষ থেকে রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ করা হচ্ছে। রাস্তার বসানো হচ্ছে কংক্রিটের ব্লক। দিঘা–শঙ্করপুর উন্নয়ন সংস্থার মুখ্য কার্যনির্বাহী অফিসার অপূর্ব বিশ্বাস বলেন, ‘প্রস্তাবিত জায়গাকে সাজিয়ে তোলার কাজ হচ্ছে। চৈতন্যদ্বার, ঝাঁ চকচকে রাস্তা, সমুদ্রতটে স্নানের ঘাট এবং নেচার পার্ককে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। তাই নতুন পর্যটনের মাত্রা পেতে চলেছে দিঘা।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *