GCML: ব্যক্তিগত ও সামাজিক উন্নয়নে ধ্যানের প্রভাব কতটা, বিশেষ সম্মেলনের আয়োজন দিল্লিতে – Bengali News | GCML conference to discuss about effect of meditation on human and society
নয়া দিল্লি: আয়োজিত হবে গ্লোবাল কনফারেন্স অব মেডিটেশন লিডার্স (GCML)-এর সম্মেলন। আগামী ২০ থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে সেই সম্মেলন। নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে কর্পোরেট নেতা, গবেষক এবং ধ্যান সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হবেন সেখানে। ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তন এবং বিশ্ব শান্তির ক্ষেত্রে ধ্যান কীভাবে প্রভাব ফেলবে, সেই বিষয়ে আলোচনা হবে।
এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য হল, ব্যক্তিগত ও সামাজিক উন্নয়নে ধ্যান কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করা। দৈনন্দিন জীবনে ধ্যান কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, তা নিয়ে কথা হবে। পাশাপাশি ধ্যান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে।
মনে করা হয়, এই ধ্যান একজন ব্যক্তিকে স্বাবলম্বী করতে পারে। ধ্যান নিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রচার করা হবে। বিভিন্ন ক্ষেত্র যেমন সরকার, কর্পোরেট কোম্পানি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্যান সম্পর্কে সচেতন করার জন্যও এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এই সম্মেলনটি ‘প্রজেক্ট এক্সিলেন্স’-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। গবেষণাপত্র, প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম, মোবাইল অ্যাপ প্রদান করা হবে ওই সম্মেলনে।
GCML সম্মেলন থেকে কারা উপকৃত হবে?
আইন প্রণেতা এবং নীতিনির্ধারক যারা জাতীয় এবং বিশ্বব্যাপী ধ্যানের প্রচারের নীতিগুলিকে প্রভাবিত করতে পারেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান, শিক্ষা বোর্ডের সদস্য এবং শিক্ষক যারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধ্যান অন্তর্ভুক্ত করতে চান।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অর্থাৎ স্বাস্থ্যসেবা, যোগব্যায়াম এবং বিকল্প চিকিৎসার ক্ষেত্রে কর্মরত পেশাদাররা ধ্যানের বৈজ্ঞানিক ও ব্যবহারিক সুবিধাগুলি বুঝতে চান।
বিভিন্ন সংস্থা এবং এনজিওগুলির প্রধানরাও সামাজিক পরিবর্তন, শান্তিস্থাপনের ক্ষেত্রে ধ্যানের প্রভাব নিয়ে পরিকল্পনা করতে পারবেন।
পদ্মশ্রী ডি.আর. সিবিআই/সিআরপিএফের প্রাক্তন পরিচালক কার্তিকেয়ন এই অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে বলেন, “গ্লোবাল কনফারেন্স অব মেডিটেশন লিডার্স (জিসিএমএল) ২০২৫ স্বাস্থ্য সঙ্কট, পরিবেশের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ধ্যানকে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে তুলে ধরবে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকছেন ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, পদ্মভূষণ শ্রী কমলেশ প্যাটেল, ইনস্টিটিউট অব হার্টফুলনেসের সভাপতি, ব্রহ্মকুমারীদের আধ্যাত্মিক নেতা রাজযোগিনী বি.কে. শিবানী, পদ্মশ্রী ডি.আর. কার্তিকেয়ন, প্রাক্তন সিবিআই/সিআরপিএফ পরিচালক প্রমুখ।