India-US Tarif: তারিফ মিললেও ট্যারিফে ছাড় নয়! ভারতে কত শুল্ক চাপাবে আমেরিকা? – Bengali News | US President Donald Trump Announces Reciprocal Tarif on India Amid PM Modi’s Visit
নরেন্দ্র মোদী ও ডোনাল্ড ট্রাম্প।Image Credit source: PTI
ওয়াশিংটন: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হাজারো তারিফ পেলেও, ট্যারিফে মিলল না কোনও ছাড়। মোদী সফরের মাঝেই রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ বা পারস্পরিক সমান শুল্ক বসানোর ঘোষণা করলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
আমেরিকার মাটিতে পা রাখার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। মোদীকে দেখেই হাত ধরে ট্রাম্প বলেন, “আমরা তোমাকে খুব মিস করেছি…আবার দেখা হয়ে খুব ভাল লাগল”। প্রধানমন্ত্রীর এই মার্কিন সফরে একদিকে যেমন অনাবাসী ভারতীয়দের ফেরত পাঠানোর ইস্যুর দিকে সকলের নজর ছিল, তেমনই আবার ট্যারিফ বা শুল্কে ছাড় মিলবে কি না, তার দিকেও নজর ছিল।
শুল্ক চাপানোর ঘোষণা করে ট্রাম্প আগেই বলেছিলেন, “খুব সহজ হিসাব, যদি ওরা আমাদের উপরে শুল্ক চাপায়, তবে আমরাও শুল্ক চাপাব”। বৃহস্পতিবার সেই ঘোষণার সূত্র ধরে রেখেই ট্রাম্প বলেন, “বাণিজ্য ক্ষেত্রে, আমরা স্বচ্ছতা আনতে রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অর্থাৎ যে দেশ আমাদের উপরে যে হারে শুল্ক বসাবে, আমরাও সেই হারেই শুল্ক নেব। তার কমও নেব না, বেশিও নেব না।”
বাকি অন্য দেশের তুলনায় ভারত অনেক বেশি শুল্ক নেয় বলেই অভিযোগ করেন ট্রাম্প। শুল্ক চাপানোর ঘোষণা করলেও, এখনই সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে না বলেই হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতিই ট্রাম্প প্রশাসন হিসাব তুলে দেখিয়েছে কোন দেশ আমেরিকার উপরে কত বেশি শুল্ক চাপায়। যেমন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন আমেরিকা থেকে আমদানি করা গাড়ির উপরে ১০ শতাংশ শুল্ক চাপায়, সেখানেই আমেরিকা মাত্র ২.৫ শতাংশ চাপায়। ভারত মার্কিন বাইকের উপরে ১০০ শতাংশ শুল্ক নেয়। আমেরিকা ভারত থেকে আমদানি করা পণ্য়ে মাত্র ২.৪ শতাংশ শুল্ক নেয়। ব্রাজিল আমেরিকা থেকে আমদানি করা ইথানলে ১৮ শতাংশ শুল্ক নেয়, সেখানে আমেরিকা ২.৫ শতাংশ শুল্ক নেয়।
বিভিন্ন দেশের শুল্কে এই বিভেদ মুছেই সামঞ্জস্য আনতে চান ট্রাম্প। সেই কারণেই ঘোষণা করেছেন পাল্টা সমানুপাতিক শুল্ক বসানোর। ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরই কলম্বিয়া তাদের অনাবাসীদের ফেরত নিতে রাজি হয়েছে, তার বদলে আমেরিকা শুল্ক প্রত্যাহার করার ঘোষণা করেছে। কানাডা ও মেক্সিকোর উপরে শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্তও আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। চিনের উপরে ১০ শতাংশ শুল্ক চাপানো হয়েছে।
