চা বাগানগুলির জন্য বাজেট উপহার রাজ্যের, বড় সুবিধা মালিকপক্ষের, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

চা বাগানগুলির জন্য বাজেট উপহার রাজ্যের, বড় সুবিধা মালিকপক্ষের, বাংলার মুখ

Spread the love

এবারের রাজ্য বাজেটের একটি বিশেষ ঘোষণা হাসি ফুটিয়েছে উত্তরবঙ্গের চা বাগানগুলির মালিকদের মুখে। তাঁরা বলছেন, যদিও বাজেট থেকে তাঁদের প্রত্যাশা আরও অনেক বেশি ছিল, তবু রাজ্য সরকার যেটুকু করেছে, তাতে তাঁরা উপকৃতই হবেন।

আসলে এবারের রাজ্য বাজেটে চা বাগানগুলির জন্য ‘এগ্রিকালচারাল ইনকাম ট্যাক্স’ (কৃষিজ আয়কর)-এ ছাড়ের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। উল্লেখ্য, এর আগে ২০৫ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত এই করে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। এবার তা বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বহাল রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হল।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এর ফলে উত্তরবঙ্গের পাহাড় থেকে তরাই এবং ডুয়ার্সের অসংখ্য চা বাগান মালিকদের বিরাট সুবিধা হবে। তাঁদের বক্তব্য, নানা কারণে বর্তমানে বাগানগুলির অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। তাই আরও এক বছরের জন্য করছাড়ের ফলে বিরাট আর্থিক বোঝা থেকে সাময়িকভাবে হলেও মুক্তি পাওয়া যাবে।

অন্যদিকে, রাজ্য সরকারের বক্তব্য হল, পশ্চিমবঙ্গের চা শিল্পের খ্যাতি জগৎজোড়া। সেই চা শিল্পকে সহায়তা করতেই এই করছাড়ের সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমে দার্জিলিং পার্বত্য এলাকার চা বাগানগুলিকে নিয়ে গঠিত সংগঠন – দার্জিলিং টি অ্যাসোসিয়েশন-এর প্রধান উপদেষ্টা সন্দীপ চক্রবর্তীকে উদ্ধৃত করে উল্লেখ করা হয়েছে, এই পদক্ষেপের জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানানো হচ্ছে। কারণ, এতে চা বাগানের মালিকরা ভীষণভাবে উপকৃত হবেন।

একইসঙ্গে, বাগান মালিকদের পক্ষ থেকে আরও কিছু গুরুতর সমস্যার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। যেমন – এবছর দার্জিলিংয়ের পার্বত্য বাগানগুলিতে চায়ের পাতার ফলন এখনও সেভাবে না হওয়ায় সেই শূন্যস্থান ভরানো হচ্ছে নেপাল ও কেনিয়া থেকে নিম্নমানে ও কম দামি চা দিয়ে। যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই বিষয়ে প্রশাসন যাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করে, রাজ্যের কাছে সেই বার্তা দিচ্ছেন মালিক পক্ষ এবং বিভিন্ন চা সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

এছাড়াও, যে চা বাগানগুলি কোনও না কোনও নদীর কাছে অবস্থিত, সেগুলি লাগাতার ভাঙনের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ। ফলে প্রতি বছর সেই বাগানগুলির আয়তন কমছে। বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন – টি অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া -র উত্তরবঙ্গের সচিব সুমিত ঘোষ। তাঁর মতে, রাজ্য সরকারকে এই সমস্যাগুলির দিকেও নজর দিতে হবে। এবং যাতে এই সমস্ত সমস্যা মেটানো যায়, তার জন্য বাগানগুলিকে আরও বেশি করে সাহায্য ও সহযোগিতা করতে হবে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *