চুপ করে বসে থাকেন বিধানসভায়, তৃণমূলের ১১৮জন 'নীরব' বিধায়ক, সরব করতে উদ্যোগী দল, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

চুপ করে বসে থাকেন বিধানসভায়, তৃণমূলের ১১৮জন ‘নীরব’ বিধায়ক, সরব করতে উদ্যোগী দল, বাংলার মুখ

Spread the love

সব মিলিয়ে সংখ্যাটা ১১৮জন। তাঁরা শাসকদলেরই বিধায়ক। কিন্তু বিধানসভায় একেবারে চুপচাপ বসে থাকেন। মুখে কোনও উচ্চবাচ্য নেই। আসেন যান, মুখে কোনও কথা নেই। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বাম আমলেও বাংলা থেকে কয়েকজন বাম সাংসদ ছিলেন, যাঁরা সংসদ ভবনে যেতেন কিন্তু মুখে কোনও কথা বলতেন না। তবে এবার বিধানসভায় থাকা সেই চুপচাপ বিধায়কদের কিছুটা সক্রিয় করার উদ্যোগ নেবে তৃণমূল। 

এদিকে ইতিমধ্য়েই তৃণমূলের পর্যবেক্ষণ সব মিলিয়ে ১১৮জন বিধায়ক গত চার বছর ধরে বিধানসভায় একেবারে নিষ্ক্রিয়। কোনও উচ্চাবাচ্য করেননি। প্রশ্নোত্তরপর্ব, দৃষ্টি আকর্ষণী পর্ব, কোনও প্রস্তাব, কোনও বিল নিয়ে তাঁরা কোনওরকম আলোচনায় অংশ নেননি। একেবারে নীরব। 

সূত্রের খবর, চলতি বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিন বিধানসভায় বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন মুখ্য়মন্ত্রী। সেই বৈঠকের আগে তৃণমূলের পরিষদীয় দল বিধায়কদের গত চার বছরের কাজকর্মের কিছুটা পর্যালোচনা করে। আর সেই পর্যালোচনাতেই উঠে আসে ১১৮জন বিধায়কদের কথা।

সব মিলিয়ে এখন রাজ্য বিধানসভায় তৃণমূলের বিধায়কের সংখ্য়া ২২২জন। সংখ্য়াটা নেহাত মন্দ নয়। কিন্তু তার মধ্য়ে ১১৮জনের বিধানসভায় কোনও বক্তব্য নেই। একেবারে নীরব। আসেন, নির্দিষ্ট জায়গায় বসেন। এরপর সময় হলে চলে যান। কিন্তু মুখে কোনও রা নেই। 

এদিকে শাসকদলের বিধায়কদের একটা বড়  অংশ এভাবে নিষ্ক্রিয় থাকলে আখেরে সেটা একেবারেই শোভনীয় নয়। সেকারণে এবার সেই নীরব বিধায়কদের সরব করতে উদ্যোগী হচ্ছে তৃণমূল। এবার পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায় ও বিধানসভার তৃণমূলের মুখ্যসচেতক নির্মল ঘোষকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁরাই এই নীরব বিধায়কদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদেরকে প্রশ্নোত্তরপর্বে অংশ নেওয়ার জন্য় আহ্বান করবেন। 

আসলে সামনেই ২০২৬ এর বিধানসভা ভোট। তার জন্য রাজনৈতিক দলগুলি ইতিমধ্য়েই প্রস্তুতি শুরু করেছে। এদিকে নির্দিষ্ট বিধায়কদের অনেক আশা নিয়েই বিধানসভায় পাঠান সাধারণ মানুষ। সেক্ষেত্রে তাঁদের একাংশ যদি এভাবে একেবারে নীরব থাকেন তবে তাঁদের ভূমিকা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে। 

তবে সূত্রের খবর, ওই বিধায়কদের উপর এখনই কোনও শাস্তি আরোপ করা হবে না। কারণ তাঁদের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে কিছু কথাবার্তা বলতে চাইছেন দায়িত্বপ্রাপ্তরা। তাঁদেরকে আগামী দিনে যাতে কিছুটা সরব করা যায়, আলোচনাপর্বে তাঁরাও যাতে অংশ নেন সেব্যাপারে তাঁদেরকে পরামর্শ দেওয়া হবে। আলোচনায় অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের কোনও জড়তা থাকছে কি না সেটাও জানতে চাওয়া হতে পারে। 

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *