Jalpaiguri: অস্টম শ্রেণির মেয়ের ব্যাগে প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট! মা জিজ্ঞাসা করতেই ভয়াবহ ‘সত্যি’ বলল নাবালিকা – Bengali News | One minor girl physically harassed by one toto driver in jalpaiguri west bengal
জলপাইগুড়িতে ধর্ষণImage Credit source: Tv9 Bangla
জলপাইগুড়ি: কলকাতার নিউটাউনের ছায়া এবার জলপাইগুড়িতে। সম্প্রতি, নিউটাউনে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ উঠেছে। এবার জলপাইগুড়িতে তন্দ্রাচ্ছন্ন করে এক অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক টোটো চালকের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হতেই শনিবার রাতে জলপাইগুড়ি মহিলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। ঘটনার আট ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার অভিযুক্ত। ধৃতকে রবিবার আদালতে তুলে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৌভনিক মুখোপাধ্যায়।
জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানা এলাকার বাসিন্দা ওই নাবালিকা এবং অভিযুক্ত টোটো চালক। পরিচিত হওয়ার সুবাদে ওই টোটো চালকের রিক্সা করে মাঝেমধ্যেই স্কুলে যেত মেয়েটি। অভিযোগ, সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মেয়েটিকে শহরের তিস্তা উদ্যান এলাকায় নিয়ে যায়। এরপর তাকে জোর করে একটি চকলেট খাওয়ায় বলে অভিযোগ। ছাত্রীটি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে যায়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিস্তা পারে নির্জন এলাকায় নিয়ে গিয়ে যৌন নিগ্রহ চালায় বলে অভিযোগ। এরপর মেয়েটিকে হুমকি দেওয়া হয় বলে খবর।
ছাত্রীর দাদুর অভিযোগ, সম্প্রতি তাঁরা লক্ষ্য করছিলেন থেকে মনমরা হয়ে থাকত নাতনি। শুক্রবার তার মা কেন মনমরা সেই কারণ জানতে নাতনিকে চেপে ধরতেই সব খুলে বলে। অভিযুক্ত টোটো চালকের কাকা তাদের গ্রামের প্রাক্তন তৃণমূল পঞ্চায়েত। নির্যাতিতার দাদু বলেন, “আমরা অভিযুক্তর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।” অপরদিকে, ছাত্রীর দিদা জানান, তাঁর মেয়ে নাতনির স্কুল ব্যাগ গোছাতে গিয়ে আঁতকে ওঠে। দেখেন প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট রয়েছে তার ব্যাগে। কীভাবে তাঁর ব্যাগে এই কিট তা জানার জন্য চেপে ধরতেই বলে ওই টোটো চালক তার সাথে যৌন নিগ্রহ করার পর তাকে এই কিট দিয়েছে। তিনি বলেন, “আমার নাতনির জীবন শেষ করে দিলো। আমি এর সুবিচার চাই।”
বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি বাপী গোস্বামী বলেন, “তৃণমূল দ্বারা পরিচালিত এই রাজ্যে ধর্ষণ এখন সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা জানতে পেরেছি অভিযুক্তর কাকা ওই এলাকার তৃণমূল পঞ্চায়েত ছিলেন। তাই এরা এইসব ঘৃণ্য কাজ করার এত সাহস পায়।” তবে, তৃণমূলের জেলা সম্পাদক বিজেপির দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলেন, “কাকা আমাদের দল করেন। ভাইপো আমাদের কেউ নয়। আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল করি। তাই এইসব একদম বরদাস্ত করি না।” পুলিশ সুপার উমেশ খান্ডবাহালে জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে পক্সো আইনে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। নাবালিকাকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
