দিল্লিতে করুণ পরিণতির পথে আপ, প্রবণতা স্পষ্ট হতেই টুইটারে কটাক্ষ ওমর আবদুল্লাহর, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

দিল্লিতে করুণ পরিণতির পথে আপ, প্রবণতা স্পষ্ট হতেই টুইটারে কটাক্ষ ওমর আবদুল্লাহর, বাংলার মুখ

Spread the love

দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে ভোটগণনা শুরু হতেই আম আদমি পার্টিকে পিছনে ফেলে অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। আর প্রাথমিক আভাস স্পষ্ট হতেই কোন্দল শুরু হয়ে গেল ইন্ডি জোটের মধ্যে। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে আপের সম্ভাব্য বিপর্যয়কে কটাক্ষ করে টুইট করলেন জম্মু – কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মিম শেয়ার করেছেন তিনি। যার অর্থ, আরও বেশি করে লড়াই করো নিজেদের মধ্যে।

শনিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনা। দিল্লিতে আম আদমি পার্টি সরকার বানাবে না কি সেখানে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি, এই নিয়ে জল্পনার মধ্যে ভোটগণনা শুরু হতেই একের পর এক বিধানসভায় এগিয়ে যেতে থাকেন বিজেপি প্রার্থীরা। সকাল সাড়ে নটা নাগাদ ৭০ আসনের দিল্লি বিধানসভায় ৪৭টি আসনে এগিয়ে ছিল গেরুয়া শিবির। আর তখনই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন ওমর আবদুল্লাহ। একটি মিম টুইট করেন তিনি। যাতে দেখা যাচ্ছে একজন পৌরাণিক মুনি বলছেন, ‘আরও বেশি করে লড়াই করো নিজেদের মধ্যে। একে অপরকে শেষ করে দেও।’ যাতে স্পষ্ট, দিল্লি নির্বাচনে কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির আলাদা আলাদা লড়াই করার সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেছেন তিনি।

বলে রাখি, ইন্ডি জোটের সদস্য কংগ্রেস ও আপ দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে আলাদা লড়াই করেছে। বলা বাহুল্য সেই লড়াই মোটেও বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল না। নয়া দিল্লি আসনে দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আপের প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিপরীতে সেখানকার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিলা দিক্ষিতের ছেলে সন্দীপ দিক্ষিতকে দাঁড় করিয়েছে কংগ্রেস। একাধিক আসনে আপের বিরুদ্ধে শক্তপোক্ত প্রার্থী দিয়েছে তারা। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন আম আদমি পার্টির কাছে একপ্রকারের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। সেই লড়াইয়ে করুণ পরিণতির মুখে পড়েছে তারা। আর ওমর আবদুল্লাহর দাবি যে মিথ্যা নয় তা মোটামুটি স্পষ্ট হয়েছে দিল্লির একাধিক মুসলিম প্রধান আসনের প্রবণতায়। বিশেষ করে ওখলার মতো আসনে কংগ্রেস, আপ ও AIMIMএর ভোট কাটাকাটিতে এগিয়ে গিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী মণীষ চৌধুরী। এবার দেখার, দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ফলের পর কী সমীকরণ তৈরি হয় ইন্ডি জোটের অন্দরে।

 

 

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *