R G Kar: ‘রাজ্যের উচিত হয়নি বিষয়টার মধ্যে ঢোকার…’, কেন বললেন তিলোত্তমার বাবা-মা? – Bengali News | R g kar ‘The state should not have entered into the matter…’, why did Tilottma’s parents say?
কলকাতা: হাইকোর্টে ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য। সঞ্জয় রায়ের ফাঁসির দাবিতে রাজ্যের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। এই নিয়ে তিলোত্তমার বাবা বললেন, “ডিভিশন বেঞ্চের দুই বিচারক বিবেচনা করে যা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটাই সঠিক মনে করি। রাজ্যের এই ব্যাপারে উদ্যোগী হওয়ার প্রয়োজন ছিল না। তবে উদ্যোগ হয়ে যথাযথ উত্তর আদালত থেকে পেয়ে গেছে।”
শিয়ালদহ আদালতের ফার্স্ট জাজ অর্নিবাণ দাস সঞ্জয় রায়কে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু প্রথম থেকেই সিবিআই ও রাজ্য় সঞ্জয়ের ফাঁসির দাবিতে সোচ্চার ছিল। নিম্ন আদালতের রায়ের পরই তিলোত্তমার বাবা-মার আগে সঞ্জয়ের ফাঁসির দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। কিন্তু কেন? রাজ্যের কি আদৌ এই এক্তিয়ার ছিল? তা নিয়েই তিলোত্তমার বাবা বলেন, “রাজ্য যে তৎপরতার সঙ্গে সঞ্জয়ের ফাঁসি চেয়েছে, যদি প্রথম দিন থেকেই এই তৎপরতা দেখাত, তাহলে আমার মেয়ের খুনের সঙ্গে জড়িত অপরাধীরা সবাই গ্রেফতার হয়ে যেত, সামনে চলে আসত, শাস্তি পেত। সেখানে সিপি, এসিপি-র উপস্থিতিতে প্রমাণ লোপাট হয়েছে। প্রকৃত দোষীরা সামনে আসছে না। রাজ্যের উচিত ছিল না, এই বিষয়টার মধ্যে ঢোকার।”
ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্টে তিলোত্তমাকাণ্ডের জনস্বার্থ মামলা চলছে। কিন্তু সেই মামলার শুনানিও গিয়েছে পিছিয়ে। তা নিয়ে তিলোত্তমার বাবা বলেন, “আমরা প্রচণ্ড হতাশ হয়ে যাচ্ছি। কারণ এতদিন ধরে যে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা হয়েছে, তাতে সুপ্রিম কোর্ট সিবিআই-কে কোনও গাইডলাইন দেয়নি, কীভাবে তদন্ত হওয়া উচিত। সাতখানা স্টেটাস রিপোর্ট জমা পড়েছে। তাতে কী রয়েছে, সেটাও জানি না।”
এদিকে, আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি মেয়ের জন্মদিনে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প করার কথা ছিল তিলোত্তমার বাবা-মায়ের। তানিয়ে এলাকার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাধা দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত কাউন্সিলর স্বপন কুণ্ডু। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানেনই না! তাঁর কাছে কেউ এই বিষয়ে আসেননি।
