এবার সমস্ত পুলিশ কর্মীদের সম্পর্কে রিপোর্ট তলব করল সিআইডি, সব জেলায় পৌঁছল নির্দেশিকা - 24 Ghanta Bangla News
Home

এবার সমস্ত পুলিশ কর্মীদের সম্পর্কে রিপোর্ট তলব করল সিআইডি, সব জেলায় পৌঁছল নির্দেশিকা

Spread the love

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুদিন আগে পুলিশ কর্মীদের সাবধান করেছিলেন। তাঁর কাছে কিছু তথ্য এবং অভিযোগ এসে পৌঁছয়। তার ভিত্তিতে তিনি বলেছিলেন, সব পুলিশ খারাপ সেটা বলছি না। কিন্তু কিছু পুলিশ কর্মী আছেন যাঁরা মানুষের সঙ্গে নমনীয় ব্যবহার পর্যন্ত করেন না। উলটে টাকা খেয়ে নানা খারাপ কাজে লিপ্ত হয়। এটা দীর্ঘদিন চলতে পারে না। অ্যাকশন নেওয়া হবে। এবার সেই অ্যাকশন নেওয়া বোধহয় শুরু হয়ে গেল। কারণ কর্তব্যে গাফিলতি, অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত এমন তথ্য কাদের বিরুদ্ধে আছে তা জানতে রিপোর্ট তলব করল ভবানী ভবন।

এবার সেই রিপোর্ট পেতে রাজ্যের সমস্ত জেলা পুলিশ এবং কমিশনারেটকে অবিলম্বে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর এই নির্দেশিকা পেয়ে সমস্ত জেলা পুলিশ এবং কমিশনারেট রিপোর্ট তৈরি করতে তৎপর হয়ে উঠেছে। তৎপরতা বেড়েছে থানা এবং ফাঁড়িতেও। তাই থানা এবং ফাঁড়ি থেকে নাম যাচ্ছে জেলা পুলিশ সুপার এবং কমিশনারেটের কাছে। সেই রিপোর্ট যাচাই করে পৌঁছে যাবে ভবানী ভবনে সিআইডি’‌র হাতে। সূত্রের খবর, এই কাজ অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে করছেন শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার সি সুধাকর। এবার সেই রিপোর্ট কিছুদিনের মধ্যেই পাঠিয়ে দেবেন।

আরও পড়ুন:‌ কলকাতা পুলিশকে ঢেলে সাজাতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী, পরামর্শ দিলেন কি রাজীব কুমার?‌

পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে বাংলায়। সেখানে কোনও অভিযুক্ত বা অভিযোগ উঠেছে এমন কোনও পুলিশকর্মীকে দায়িত্বে রাখা হবে না। বরং স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, কর্মদক্ষতা আছে এবং সৎ পুলিশকর্মীদের উপরই বাড়তি দায়িত্ব বর্তাবে। আর তাই প্রত্যেক জেলাতেই এই নির্দেশ গিয়েছে। এমনকী কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মাও শহরের প্রত্যেক থানা সম্পর্কে রিপোর্ট নিচ্ছেন। যা পাঠিয়ে দেবেন ভবানী ভবনে। সেক্ষেত্রে বহু পুলিশকর্মীর উপর কোপ পড়তে পারে। তাঁদের বিরুদ্ধেও তদন্ত হতে পারে।

অপরাধের সঙ্গে যে কোনও আপস করা হবে না সেটা পরিষ্কার বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুতরাং বদলি হয়ে গেলেও কেউ ভবানী ভবনের হাতের বাইরে থাকছেন না। এই রিপোর্টে উঠে আসবে কোন পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে কেমন অভিযোগ আছে। সেইসব অভিযোগ খতিয়ে দেখবে সিআইডি। যদি অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ হয় তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বদলি করা কোনও শাস্তি নয় বলেই মনে করছে সিআইডি। মত্ত অবস্থায় ডিউটি করা, সহকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা, ঘুষ নেওয়া, জনগণের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা, ডায়েরি না নেওয়া, কর্তব্যে গাফিলতি–সহ নানা তথ্য খতিয়ে দেখবে সিআইডি বলে সূত্রের খবর।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *