ইব্রাহিমের সঙ্গে অন্তরঙ্গ ছবি পোস্ট খুশির! সইফপুত্রকেই মন দিয়েছেন শ্রীদেবীকন্যা? – Bengali News | Khushi kapoors latest pic with mystery man leaves fans guessing
শ্রীদেবীর দুই কন্যা জাহ্নবী কাপুর ও খুশি কাপুর দুজনেই আজকাল খবরে থাকছেন, তাঁদের প্রেমগুঞ্জনের কারণেই। যেখানে জাহ্নবীর সঙ্গে নাম জুড়েছে শিখর পাহাড়িয়ার। অন্যদিকে, খুশি কাপুর আর বেদাঙ্গ রায়নার প্রেমকাব্য বলিউডে সুপারহিট। কিন্তু এরই মাঝে খুশির প্রেমের গল্পে টুইস্ট। আর এই টুইস্ট আনলেন খুশি কাপুর নিজেই।
ব্যাপারটা একটু খোলসা করে বলা যাক বরং। সম্প্রতি খুশি তাঁর ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। যেখানে দেখা গিয়েছে, এক পুরুষকে জড়িয়ে ধরে রয়েছেন তিনি। পুরুষকে জড়িয়েই সেলফি তুলে ইনস্টাগ্রামে আপলোড করেছেন খুশি কাপুর। আর ক্যাপশানে দিলেন প্রেমের ইঙ্গিত।
খুশি লিখেছেন, ”খুব শীঘ্রই আপনাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে চলেছি…।”
এই খবরটিও পড়ুন
তবে এই গল্পের টুইস্টের এখানেই শেষ নয়। রয়েছে আরও বড় চমক। আসলে, খুশি আর কারও নয়, সইফপুত্র ইব্রাহিমেরই বাহুলগ্না হয়ে ছবি পোস্ট করেছিলেন। আর তার খোলসা করলেন কয়েকঘণ্টা কাটতেই।
গপ্পোটা আরও বিশদে বলা যাক। আসলে করণ জোহরের প্রযোজনা সংস্থা ধর্মা প্রোডাকশনের হাত ধরেই বলিউডে পা দিতে চলেছেন ,সইফ আলি খান ও অমৃতা সিংয়ের পুত্র ইব্রাহিম আলি খান। সম্প্রতি করণ নিজেই সোশাল মিডিয়ায় সেই খবর জানিয়েছেন। এবার সেই ছবিরই প্রথম ঝলক প্রকাশ্যে। যেখানে দেখা গিয়েছে, প্রথম ছবিতে ইব্রাহিমের নায়িকা খুশি কাপুর। ছবির নাম নাদানিয়া।
শ্রীদেবীর বড়কন্যা জাহ্নবীকেও বলিউডে এনেছিলেন করণ জোহর। ছবির নাম ছিল ধড়ক। জাহ্নবীর বিপরীতে ছিলেন ঈশান খট্টর। সেই সময় শোনা গিয়েছিল, জাহ্নবী নাকি মন দিয়েছেন ঈশানকে। আর জাহ্নবী-ঈশানের প্রেমের ঠাকুর ছিলেন করণ জোহর।
খুশি কাপুর ও ইব্রাহিমেরও নাদান প্রেমের প্রেমের ঠাকুর সেই করণই। তবে অনেকেই প্রশ্ন করছেন, খুশির মনে যদি ইব্রাহিম আসেন, তাহলে বেদাঙ্গের কী হবে!
খুশির ঝুলিতে সবে একখানা নেটফ্লিক্স সিরিজ আর্চি। কয়েকদিনের মধ্যেই মুক্তি পাবে আমিরপুত্র জুনেইদ খানের সঙ্গে লাভইয়াপ্পা। এত সবের মাঝে বিয়ে নিয়ে কিন্তু ভাবনা শেষ খুশির। খুশির কথায়, বিয়ে হবে একেবারে জাঁকজমকপূর্ণ। মুম্বই নয়, হবে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং। যেভাবে বলিউডি বিয়ে হয়, সেভাবে বিয়ে করেই খুশি হবেন, খুশি কাপুর। তবে যেহেতু বাবার আদুরে মেয়ে তিনি, সেহেতু সংসার পাতবেন মুম্বইতেই। বাবা যাতে চোখের সামনে থাকেন।