‘হোক প্রতিবাদ’, আদালতের ভেতরে সঞ্জয়, বাইরে স্লোগান জনতার, আর কারা জড়িত? উঠছে প্রশ্ন, বাংলার মুখ
আরজি কর কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে সঞ্জয় রায়। সোমবারই আরজি কর কাণ্ডে সাজা ঘোষণা করা হবে। আর এদিনও শিয়ালদা আদালতের বাইরে দেখা গেল তুমুল স্লোগান। জুনিয়র ডাক্তারদের একাংশ, নাগরিক সমাজ, একাধিক প্রতিবাদী মঞ্চের প্রতিনিধিরা তুমুল বিক্ষোভ দেখান। ফের উঠল স্লোগান হোক হোক হোক প্রতিবাদ। উই ডিমান্ড জাস্টিস। তাঁদের একটাই প্রশ্ন, আর কারা জড়িত?
এদিকে আদালতের ভেতরে ২১০ নম্বর ঘরে সঞ্জয় রায়। ধর্ষণ-খুন করিনি। এদিনও দাবি করেন সঞ্জয় রায়। ফাঁসানো হচ্ছে বলে দাবি করছেন সঞ্জয়। আর আদালত চত্বরের বাইরে তখন বিক্ষোভ, তুমুল বিক্ষোভ। কার্যত প্রতিবাদী জনতা ফের নেমে এলেন আদালতের বাইরে।
তাঁদের একটাই দাবি, সঞ্জয় রায় একলা নন। এর পেছনে আর যারা জড়িত তাদের নাম প্রকাশ্য়ে আনা হোক। তাঁদের দাবি, সঞ্জয় রায় দোষী হতে পারে। কিন্তু আর যারা জড়িত তাদের নাম বলা হোক। তাদের কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হোক।
আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার হলে তরুণী চিকিৎসকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল। তারপর থেকেই গোটা দেশ জুড়ে শুরু হয়েছিল বিক্ষোভ আন্দোলন। বিচারপ্রক্রিয়া চলেছে ধাপে ধাপে। এরপর সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। সোমবারই সাজা ঘোষণা করা হবে। তারপরেই আদালত চত্বরের বাইরে সাধারণ মানুষের স্লোগান, উই ডিমান্ড জাস্টিস। অন্যায়কারীর চামড়া…হোক হোক হোক প্রতিবাদ। ধর্ষকদের ঠাঁই নাই। উঠল স্লোগান।