Farah Khan: স্বামী সমকামি! ফারহা খানের মাথায় হাত, ৬ মাস ধরে কী সহ্য করেছিলেন নৃত্যপরিচালক? - Bengali News | Farah khan reveals thought husband shirish kunder was gay - 24 Ghanta Bangla News
Home

Farah Khan: স্বামী সমকামি! ফারহা খানের মাথায় হাত, ৬ মাস ধরে কী সহ্য করেছিলেন নৃত্যপরিচালক? – Bengali News | Farah khan reveals thought husband shirish kunder was gay

দেখুন কাণ্ড! বলিউডের জনপ্রিয় নৃত্যপরিচালক ও সিনে পরিচালক ফারহা খানের স্বামী শিরিষ কুন্ডর সমকামি! হ্যাঁ, ৬ মাস ধরে এমনটাই মনে করতেন ফারহা খান। আর সেই কারণেই নাকি প্রেমে পড়ার আগে অল্প হলেও, শিরিষকে খুব একটা পছন্দ ছিল না ফারহার। ইচ্ছে করেই নাকি এড়িয়ে চলতেন। প্রয়োজনে নাকি পায়ে পা দিয়ে ঝগড়াও করতেন। শুধুমাত্র রাগ দেখানোর জন্যই। নাহ এসব কোনও গুঞ্জন নয়, সম্প্রতি অর্চনা পূরণ সিংয়ের ইউটিউব চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়েই পুরনো কাণ্ড ফাঁস করলেন ফারহা।

ব্যাপারটা একটু খোলসা করে বলা যাক। এমনিতে ফারহা মুখে টরে টক্কা চালান। কোনও কথাই তাঁর মুখে আটকায় না। ঠোঁটকাটা বললেও, খুব একটা ভুল বলা হবে না। ফারহা নিজেও সেটা স্বীকার করেন। আর তাই তো অর্চনা, যেই ফারহা ও শিরিষের লাভস্টোরি নিয়ে প্রশ্ন করলেন, তখন এদিক-ওদিক না ভেবে ঝটপট ফারহা বলে ফেললেন, ” আমি তো শিরিষকে সমকামি ভাবতাম! আমার খুব একটা পছন্দ ছিল না। এই ধারনা আমার প্রায় ৬ মাস ধরে ছিল। তবে পরের দিকে শিরিষকে ভালো লেগেছিল।”

এই খবরটিও পড়ুন

অর্চনার পরের প্রশ্নে একেবারে ফুলটস মারেন ফারহা? অর্চনা জানতে চান, সম্পর্কে ২০ বছরের পর কি একটু হলেও শিরিষের প্রতি তাঁর অনুভূতি বদলেছে?

ফারহার সটান জবাব, ” সম্পর্কের প্রথম দিকে কথায়, কথায় খুব রেগে যেত শিরিষ। আমি চুপ থাকতাম। তারপর হঠাৎ করে আমার সঙ্গে কথা বন্ধ করে দিত।”

ফারহা আরও বলেন, ” আমাদের মধ্যে কেউ ঝগড়ার পর ক্ষমা চাই না। আর পরের দিকে তো, আমার সঙ্গে শিরিষ ঝগড়া করতে এলে, আমি ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকতাম। শিরিষ চুপচাপ কেটে পড়ত। আসলে, শিরিষ মনে করে ওর ভুল হতেই পারে না। এটা শিরিষের অদ্ভুত স্বভাব।”

প্রায় ২০ বছর হয়ে গিয়েছে ফারহা ও শিরিষের দাম্পত্য। ফারহা খান যখন ‘ম্যায় হু না’ ছবিটি পরিচালনা করছেন, তখন সেই ছবির এডিটর ছিলেন শিরিষ। সেখান থেকেই প্রেম ও সম্পর্কের শুরু। এখন তাঁরা তিন সন্তানের মা-বাবা।

 

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *