Kangana Ranaut: পাঞ্জাবে ‘এমার্জেন্সি’ মুক্তিতে বাধা, রেগে আগুন কঙ্গনা, দিলেন হুঙ্কার – Bengali News | Kangana ranaut on calls to ban emergency movie in punjab
‘এমার্জেন্সি’ ছবির মুক্তি নিয়ে একেবারে নাজেহাল কঙ্গনা রানাওয়াত। কখনও সেন্সর বোর্ডের চোখ রাঙানি, তো কখনও রাজনীতিকদের কড়া চক্ষু। প্রায় এক ডজন কাট নিয়ে যখন শুক্রবার পর্দায় এল কঙ্গনার ইন্দিরা অবতার, ফের শুরু বিতর্ক। এবার মুক্তিতে বাধা কঙ্গনার এই ছবি। তবে গোটা দেশে নয়, বরং তথ্য বলছে পাঞ্জাবের বিভিন্ন জায়গায় বাধার মুখে পড়েছে কঙ্গনার ‘এমার্জেন্সি’। এমনকী, সূত্রের খবর অনুযায়ী, পাটিয়ালা, অমৃতসর, ভতিন্ডায় ‘এমার্জেন্সি’র প্রর্দশন নিয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। তবে এখানেই শেষ নয়, শিরোমণি গুরুদ্বারা কমিটির পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবারই পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবত মানের কাছে ‘এমার্জেন্সি’ নিষিদ্ধ করার জন্য একটি আবেদনপত্র পাঠানো হয়েছে। এই আবেদনপত্রে কমেটির প্রেসিডেন্ট হরজিন্দর সিং ধামি জানিয়েছেন, কঙ্গনার এই ছবিতে শিখ সম্প্রদায়ের ভাবমূর্তি নষ্ট করা হয়েছে। এমনকী, ইতিহাসকে বিকৃতও করা হয়েছে। এই ছবি পাঞ্জাবে মুক্তি পেলে শিখ সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হতে পারে। এই আবেদনপত্রে রয়েছে অশান্তির আশঙ্কার কথা।
এ খবর কানে গিয়ে পৌঁছয় বলিউডের ‘মণিকর্ণিকা’ তথা লড়াকু কঙ্গনা রানাওয়াতের (Kangana Ranaut)। ব্যস, কঙ্গনা তো রেগে লাল। চট করে এক্স হ্যান্ডেলে ঢুকে দিলেন এক জব্বর পোস্ট।
কঙ্গনা লিখলেন, ” খবরে এসেছে পাঞ্জাবের বেশ কিছু জায়গায় এমার্জেন্সি ছবিটির প্রদর্শন বাধা পাচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা একেবারেই শিল্প ও শিল্পীর প্রতি চরম আঘাত, হেনস্থা। চণ্ডীগড়েই পড়াশুনো আমার। বড়ও হয়েছি। খুব কাছ থেকেই দেখেছি শিখ সম্প্রদায়ের মানুষদের। তাই এমার্জেন্সি ছবি নিয়ে যা রটছে, তা একেবারে মিথ্যে। আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার একটা প্রোপাগান্ডা।”
এই খবরটিও পড়ুন
প্রসঙ্গত, এর আগেই বাংলাদেশে এই ছবির মুক্তির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। জানা গিয়েছে, দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণেই ওপার বাংলায় মুক্তি পাচ্ছে না এই ছবি।
অন্যদিকে, গত শনিবার এমার্জেন্সির প্রিমিয়ারে, ছবি দেখে মুগ্ধ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতীন গড়কড়ি। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, ”ভারতের ইতিহাসের এক অন্ধকার অধ্যায়কে এক সুন্দর ও সুচিন্তিতভাবে পর্দায় তুলে ধরার জন্য ছবির টিমকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। এই ছবি সবাইকে দেখার অনুরোধ করছি।” এখানেই শেষ করেননি গড়কড়ি। এই পোস্টে কঙ্গনাকে দরাজ সার্টিফিকেটও দিয়েছেন তিনি।