Bardhaman: নিজের রয়েছে দোতলা বাড়ি, মৃত শ্বশুরের নামে আবাসের টাকা পাচ্ছেন প্রধান – Bengali News | Local people accuse that they did not get awas yogona house in bardhaman
প্রধান গিরে বিক্ষোভImage Credit source: Tv9 Bangla
বর্ধমান: আবাসে আবার গণ্ডগোল। ফের নাম জড়াল শাসকের। খোদ পঞ্চায়েত প্রধানের পরিবারের দোতলা বাড়ি। অথচ প্রধানের শ্বশুরের নামেই বাংলা আবাস যোজনার অনুদান বরাদ্দ হয়েছে। তার মধ্যে উপভোক্তা আবার মারাও গিয়েছেন। কী ভাবছেন এখানে শেষ? ওই একই গ্রামে পাকাবাড়ি থাকা সত্ত্বেও এক সিভিক ভলান্টিয়র এবং এক পঞ্চায়েত সদস্যের পরিবারের নামে আবাস যোজনার অনুদান বরাদ্দ হয়েছে। কিন্তু বেশকয়েক জন গরিব মানুষ যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও তারা আবাস যোজনার অনুদান পাননি। বাংলা আবাস যোজনার অনুদান নিয়ে এরকমই একাধিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে বুধবার পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের বেরেণ্ডা পঞ্চায়েত প্রধানকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। এই ঘটনা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে বেশকিছুক্ষন পর বিক্ষোভ ওঠে।
বেরেণ্ডা পঞ্চায়েত এলাকার শ্রীকৃষ্ণপুর,জয়কৃষ্ণপুর, নৃপতিগ্রাম,বেরেণ্ডা সহ এলাকার বাসিন্দারা পঞ্চায়েত অফিসে জড়ো হন। তারা প্রধান মরিয়ম খাতুনকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ দেখান। অভিযোগ, খোদ প্রধানের পরিবারের দোতলা বাড়ি থাকতেও তাঁদের পরিবার আবাস যোজনার অনুদান পেয়েছেন। কিন্তু এলাকার গরিব মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। এদিন কৃষকদের জন্য সরকারি ক্ষতিপূরণের টাকা থেকে কাটমানি আদায়ের অভিযোগের কথাও বিক্ষোভকারীদের মুখে শোনা যায়। বেশকিছুক্ষণ পঞ্চায়েত প্রধানকে ঘিরে রেখে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে এদিনই আউশগ্রামে রাজ্যপালের সফর থাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের আবেদনে বিক্ষোভ ও ঘেরাও তুলে নেন। যদিও, এই বিষয়ে পঞ্চায়েত প্রধান মরিয়ম খাতুন কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।
গ্রামবাসী রহমত শেখ বলেন, “সরকার ছেড়েছে। সেই টাকা ঢুকেছে। চাষিদের প্রাপ্ত টাকা চাইছে গ্রাম প্রধান থেকে সভাপতি। এমনকী আবাস যোজনার বাড়ি পেয়েছে প্রধান। ওঁর নিজের দোতলা বাড়ি। অথচ আমরা পেলাম না। মাটির বাড়ি যাঁদের তাঁরা বাড়ি পেলেন না। লিস্টের এই গরিব মানুষের নাম নেই।”
