Medinipur: ‘সদ্যোজাত কোনও রেসপন্স করছে না’, স্যালাইন বিভ্রাটে আরও এক ভয়ঙ্কর তথ্য সামনে এল – Bengali News | Medinipur ‘Newborn is not responding’, another alarming fact came out in the saline outage
চিকিৎসাধীন প্রসূতি রেখার স্বামীImage Credit source: TV9 Bangla
মেদিনীপুর: মেদিনীপুর মেডিক্য়াল কলেজ হাসপাতালে স্যালাইন বিভ্রাট! মৃত্যু হয়েছে এক প্রসূতির। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও তিন। কিন্তু সদ্যোজাত? হাসপাতাল সূত্রে জানা যাচ্ছে, তাদের মধ্যেও এক সদ্যোজাতর অবস্থা আশঙ্কাজনক। বুধবারের ঘটনার জেরে মঙ্গলবারও রেখা সাউয়ের সন্তান আশঙ্কাজনক অবস্থাতেই মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, চিকিৎসাধীন দুই শিশুর শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতি হয়েছে। মৃত মামনি রুইদাসের ছেলের জন্ডিস হয়েছিল, সোমবার সকালে ভর্তি করা হয় মাতৃমা বিল্ডিংয়ের এসএনসিইউ ওয়ার্ডে। তাকে বুধবার ছুটি দিয়ে দেওয়া হবে।
অন্যদিকে আরেক প্রসূতি রেখা সাউ ভর্তি রয়েছেন মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মাতৃমা বিভাগে। রেখার স্বামী সন্তোষ সাউ বলেন, “আজকে রেখার ছুটি দিয়ে দেওয়া হবে বলে একটু আগেই জানতে পেরেছি। কিন্তু পুত্র সন্তান এনআইসিইউতে ভর্তি রয়েছে। শারীরিক অবস্থা এখনও খুব একটা ভালো নয় বলে জানতে পেরেছি। যেহেতু শিশু ভর্তি রয়েছে তাই তার মাকেও রাখা হোক।”
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আগামী বুধবার হাসপাতালে গিয়ে সেলাই কেটে নিয়ে যেতে হবে। রেখার শ্বাশুড়ি পুষ্প সাউ বলেন, “বৌমাকে সুস্থ ভাবে বাড়ি নিয়ে যাব, কিন্তু নাতিকে আজ এক সঙ্গে বাড়ি নিয়ে যেতে পারছি না। ভেবেছিলাম সবাই এক সঙ্গে বাড়ি ফিরব। মঙ্গলবার ভর্তি করেছিলাম, বুধবার সন্তান হয়। তারপর থেকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ভর্তি থাকে।” পুষ্পা চান নাতিকে সঙ্গে নিয়েই বাড়ি যেতে । তাই তিনি এখনই বাড়ি যেতে চাইছেন না ।
উল্লেখ্য গত বুধবার যে পাঁচজনের অপারেশন হয়েছিল তার মধ্যে মামনি রুইদাসের মৃত্যু হয়। রবিবার রাতে তিনজনকে পাঠানো হয়েছে কলকাতা পিজি হাসপাতালে। একজনের চিকিৎসা চলছিল মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তিনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন, এটাই কিছুটা হলেও স্বস্তির খবর মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কাছে ।
শিশু বিভাগের প্রধান তারাপদ ঘোষ জানান দুটি বাচ্চার চিকিৎসা চলছে মেদিনীপুর মেডিক্যালে। মামনি রুইদাসের সন্তান সুস্থ থাকলেও রেখার সন্তান এখনও আশঙ্কাজনক । মনে করা হচ্ছে সেদিনের ঘটনার পর থেকেই এখনও বাচ্চার কোনও রেসপন্স নেই। তাকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকরা।
