Naga Sadhu: যে কেউ নাগা সন্ন্যাসী হতে পারেন না, থাকতে হবে এই বিশেষ গুণ...কেমন হয় তাদের জীবন? - Bengali News | Not Everyone Can become Naga Sadhus, How One Can Become Naga Sadhu, How They Lead Life - 24 Ghanta Bangla News
Home

Naga Sadhu: যে কেউ নাগা সন্ন্যাসী হতে পারেন না, থাকতে হবে এই বিশেষ গুণ…কেমন হয় তাদের জীবন? – Bengali News | Not Everyone Can become Naga Sadhus, How One Can Become Naga Sadhu, How They Lead Life

Spread the love

প্রয়াগরাজ: শুরু হয়েছে মহাকুম্ভ। প্রতি ১২ বছর অন্তর কুম্ভস্নানের পূ্ণ্যতিথি আসে। এবার হচ্ছে মহাকুম্ভ। ১৪০ বছরে প্রথমবার এই পূণ্য তিথি এসেছে। কুম্ভে পূণ্য স্নান করতে প্রয়াগরাজে ভিড় জমিয়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। দেশ-বিদেশ থেকে এসেছেন তারা। এই কুম্ভে আসেন নাগা সন্ন্যাসীরাও। তাদের জীবন নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। কীভাবে কেউ নাগা সন্ন্যাসী হন? কী কী ত্যাগ করতে হয় তাদের? মহাকুম্ভ হয়ে যাওয়ার পরই বা তারা যান কোথায়?

কুম্ভমেলায় বিখ্যাত জুনা আখড়া। দূরদূরান্ত থেকে সাধু-সন্তরা আসেন। এই আখড়ার নাগা সন্ন্যাসী অর্জুন পুরী। তিনিই নাগা সন্ন্যাসীদের জীবন ও সন্ন্যাসী হয়ে ওঠার প্রক্রিয়া বর্ণনা করেন। অর্জুন পুরী জানিয়েছেন, তিনি পাঁচ বছর বয়স থেকে নাগা সন্ন্যাসী। জ্ঞান হওয়ার পরই তিনি সাধুদের স্মরণাপন্ন হন। ভক্তি, ত্যাগ, সাধনায় জীবন উৎসর্গ করে দেন। সনাতন চিন্তাধারায় বিশ্বাসী তারা।

কারা নাগা সন্ন্যাসী হতে পারেন?

তবে সকলে নাগা সন্ন্যাসী হতে পারেন না। প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে যাওয়ার পর কেউ আর নাগা সন্ন্যাসী হতে পারেন না। যারা নাগা সন্ন্যাসী হন, তাদের ছোটবেলাতেই সন্ন্যাস গ্রহণ করতে হয়। তপস্যা, ধ্যান, কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে তারা নাগা সন্ন্যাসী হন। দিগম্বর তাদের পুজিত।

নাগা সন্ন্যাসীর জীবন কেমন হয়?

সূর্য ওঠার আগেই ঘুম থেকে উঠে পড়েন নাগা সন্ন্যাসীরা। ভোর ৩টে, সাড়ে ৩টেয় উঠে তারা প্রথমে স্নান করেন। তারপর ধ্যান করতে বসেন। দেবতার নাম জপ করার পর যজ্ঞ শুরু করেন। নিয়মিত ধর্মগ্রন্থ পড়েন। আশ্রম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্বও তাদেরই। নাগা সন্ন্যাসীরা সাত্ত্বিক খাবার খান। ভাত, গম, রুটি, দুঃ, দই, শাকসবজি, আলু এবং মিষ্টিই প্রধান খাদ্য তাদের। তবে দিনে মাত্র একবারই খাবার খান তারা। নাগা সন্ন্যাসীদের জীবনে রজোগুণ, তমোগুণের কোনও স্থান নেই। বহু মানুষই নাগা সন্ন্যাসীদের ভয় পান। তবে তাদের দাবি, তারা খুবই শান্ত। মন কোমল। সকলের উচিত একবার নাগা সন্ন্যাসীদের আখড়ায় এসে তাদের সঙ্গে কথা, আলাপচারিতা করা।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *