কথা রাখতে পেরেছিলেন গায়ক! অরিজিতের থেকে কী চেয়েছিলেন তাঁর মা...? - Bengali News | Arijit singh mother ask this from her son she wants to stay together - 24 Ghanta Bangla News
Home

কথা রাখতে পেরেছিলেন গায়ক! অরিজিতের থেকে কী চেয়েছিলেন তাঁর মা…? – Bengali News | Arijit singh mother ask this from her son she wants to stay together

Spread the love

২০২১ সালের মে মাস। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অরিজিৎ সিং-এর মা। লহমায় জীবনটা অন্ধকার হয়ে গেল গায়কের। মা অদিতি সিংয়ের খুবই কাছের ছিলেন অরিজিৎ। পুত্রকে ছেড়ে একদম থাকতে পারতেন না তিনি। অরিজিৎও তাই। মঞ্চে একবার কনসার্ট চলাকালীন এক ভক্ত তাঁকে মায়ের ছবি উপহার দিয়েছিলেন। ক্ষণিকের জন্য স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন অরিজিৎ। গান বন্ধ হয়ে গিয়েছিল তাঁর। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনই একাধিক ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে অরিজিতের। সেখানে উপস্থিত তাঁর মা অদিতিও।

অরিজিৎ এখন অনেক বড় স্টার। তাঁর খ্যাতি গগন স্পর্শ করেছে। বাংলা, হিন্দি–হেন অধিকাংশ ছবিই যেন তাঁর গান ছাড়া অসম্পূর্ণ। চূড়ান্ত বিখ্যাত হয়েও অভিনেতার পা থাকে মাটিতেই। তিনি কখনও ভুলতে পারেন না তাঁর ফেলা আসা পরিমণ্ডল। গায়কের উত্থান ঘটে এক রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চে। সেই প্রতিযোগিতায় অরিজিৎ পঞ্চম স্থান অধিকার করেছিলেন ঠিকই, তবে পরবর্তীতে জগৎজোড়া নাম হয় তাঁর। রিয়্যালিটি শো থেকেই তাঁর গানের অনুরাগী তৈরি হয় এবং সেই সংখ্যার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি ঘটে। প্রতিনিয়তই গায়কের সাফল্যের মুকুটে নতুন পালক যুক্ত হচ্ছে।

মুম্বইয়ে আয়োজিত রিয়্যালিটি শো চলাকালীন সপরিবারে তাঁর মা এসে দেখা করেছিলেন অরিজিতের সঙ্গে। ছেলেকে কাছে পেয়ে তাঁকে বলেছিলেন, “তুই অনেক বড় হলে আমরা এখানে একটি ফ্ল্যাট নেব। সবাই মিলে সেখানেই থাকব।” এই কথা শুনে অরিজিতের বাবা কক্কর সিং পাশ থেকে বলে বসেন, “তোমার মায়ের মন বসছে না জিয়াগঞ্জে। তাঁকে আমি ২-৩ মাস পরেই নিয়ে আসব মুম্বইয়ে। তিনি তোমার সঙ্গে থাকবেন।” মায়ের কথা শুনে বাধ্য পুত্র অরিজিৎ আনন্দে হাসি হেসেছিলেন। তাঁর হাসিই বলে দিচ্ছিল, মায়ের কাছে থাকতে চান তিনিও।

তবে সেই থাকা চিরকালীন হল না আর। মাকে বড্ড তাড়াতাড়ি হারিয়ে ফেলেন অরিজিৎ। সাফল্য এলেও, মুম্বই নগরীতে তাঁকে ঘিরে ঝড় উঠলেও, মন এখনও তাঁর পড়ে জিয়াগঞ্জেই। সেখানেই ছোট থেকে এত্তবড় হয়েছেন অদিতিদেবীর সন্তান। আজও অরিজিৎ জিয়াগঞ্জের প্রাণ। সময় পেলেই বাড়িতে চলে আসেন। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *