দুলাল সরকার হত্যাকাণ্ডে যুক্ত দুই মূলচক্রীর ছবি প্রকাশ করল পুলিশ, ঘোষণা মাথার দামও - 24 Ghanta Bangla News
Home

দুলাল সরকার হত্যাকাণ্ডে যুক্ত দুই মূলচক্রীর ছবি প্রকাশ করল পুলিশ, ঘোষণা মাথার দামও

Spread the love

ঠিক তিনদিন আগে মালদার তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর দুলাল সরকার ওরফে বাবলাকে খুন করা হয়। এই ঘটনা রাজ্য–রাজনীতিতে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে। কারণ তদন্তে উঠে এসেছে এই হত্যাকাণ্ডে সুপারি কিলারের হাত রয়েছে। আবার বিহার থেকে শার্প শুটার এসেছিল। এমনকী দুলাল সরকারের বাড়ির ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে থেকে রেইকি করা হয়েছিল এই হত্যাকাণ্ডের বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে। এই ঘটনায় জড়িত দু’জন এখনও অধরা। এবার সেই দুই মূলচক্রীর সন্ধান পেতে দু’লক্ষ টাকা করে পুরষ্কার ঘোষণা করা হল। মালদা জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, কৃষ্ণ রজক ওরফে রোহন এবং বাবলু যাদব দুলাল সরকারের খুনের সঙ্গে জড়িত। তাঁদের ধরিয়ে দিলে বা খোঁজ পুলিশকে দিলে দু’লক্ষ টাকা পুরষ্কার মিলবে। নাম গোপন থাকবে।

এই দুই মূলচক্রীর ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছে মালদা পুলিশ। ২ জানুয়ারি ইংরেজবাজার শহরের ঝলঝলিয়ার কাছে নিজের প্লাইউড কারখানার সামনে খুন হন দুলাল সরকার। মোটরবাইকে করে এসে তিনজন দুষ্কৃতী দুলাল সরকারকে গুলি করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গিয়েছে, প্রাণ বাঁচাতে প্লাইউড কারখানায় ঢুকে পড়েছিলেন দুলাল সরকার। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। গুলি মাথা ফুঁড়ে বেরিয়ে যায়। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দু’জনকে এখনও ধরা যায়নি।

আরও পড়ুন:‌ মা উড়ালপুলের একাংশ বন্ধ থাকবে, রাতে অনির্দিষ্টকালের জন্য তা করা হচ্ছে, কিন্তু কেন?‌

পুলিশ সূত্রে খবর, রোহন এই হত্যাকাণ্ডের অন্যতম মূলচক্রী। সে ঝলঝলিয়া রেলওয়ে ব্যারাক কলোনির বাসিন্দা। আর এই হত্যার কাজে তাকে সাহায্য করেছিল মহানন্দা কলোনি এলাকার আর এক বাসিন্দা বাবলু। খুন ও মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর থেকে তারা গা–ঢাকা দিয়েছে। এই দু’জনের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করে এবার পুরষ্কারমূল্য ঘোষণা করল মালদা জেলা পুলিশ। দুলালের হত্যার ঘটনায় বিহারের যোগ পেয়েছে পুলিশ। সুতরাং এই দু’‌জন বিহারে গিয়ে থাকতে পারে বলে পুলিশের অনুমান। পুলিশ সূত্রে খবর, তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলরকে খুনের জন্য বিহার থেকে ‘শার্প শুটার’ ভাড়া করা হয়েছিল। পুলিশের হেফাজতে রয়েছে দু’জন বিহারের বাসিন্দা।

এই কাউন্সিলর দুলাল সরকারের হত্যার ঘটনা জানতে পেরে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেটা প্রশাসনিক বৈঠকে পুলিশের বিরুদ্ধে উগরে দিয়েছেন তিনি। দু’‌জন মন্ত্রীকে দুলাল সরকারের বাড়িতে পাঠিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মলগ্ন থেকে ছিলেন দুলাল। ১৯৯৫ সাল থেকে টানা পুরসভা নির্বাচনে জয়ী হন দুলালবাবু। এই ইংরেজবাজার পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ–সভাপতি ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভর্ৎসনার পর পুলিশ আরও সক্রিয় হয়। কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে দুই মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *