Potato Price Racket: রাজ্য়ে আলুর দাম বাড়াচ্ছে অসাধু চক্র, তা ভাঙতে এবার ED-র সাহায্য নেবে নবান্ন: রিপোর্ট, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

Potato Price Racket: রাজ্য়ে আলুর দাম বাড়াচ্ছে অসাধু চক্র, তা ভাঙতে এবার ED-র সাহায্য নেবে নবান্ন: রিপোর্ট, বাংলার মুখ

Spread the love

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি-র সঙ্গে বর্তমান রাজ্য সরকারের সম্পর্ক ঠিক কেমন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। নানা ঘটনার প্রেক্ষিতে ইডি-র বিরুদ্ধে বহুবার পক্ষপাতদুষ্ট হওয়ার অভিযোগ তুলেছে বাংলার সরকার। কিন্তু, এবার রাজ্য়ে আলুর দর নিয়ন্ত্রণে আনতে সেই ইডি-র সাহায্য নেওয়ার কথাই নাকি ভাবছে নবান্ন!

এই সময় – পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুসারে, রাজ্যজুড়ে আলুর দাম নিয়ন্ত্রণ করা নিয়ে কিছু ব্যবসায়ীর আধিপত্য ভাঙতে বদ্ধপরিকর নবান্ন। আর সেই কারণেই স্থির করা হয়েছে, এই অসাধু চক্র ভাঙতে রাজ্য সরকারের তৈরি বাজার সংক্রান্ত টাস্ক ফোর্সের সঙ্গে ইডি-কেও একত্রে কাজে লাগানো হবে।

সমস্যা ঠিক কী?

বৃহস্পতিবার নবান্নে আয়োজিত বৈঠকে আলুর দাম সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে আনেন রাজ্যের কৃষি বিপণন মন্ত্রী বেচারাম মান্না।

মন্ত্রী জানান, গোটা রাজ্য়ের মধ্যে হাতে গোনা কয়েকজন ব্যবসায়ীই নাকি আলুর দাম নির্ধারণ করেন! তাঁরা নাকি এমন এক অলিখিত ব্যবস্থা জিইয়ে রেখেছেন যে সরকার চাইলেও আলুর দাম বাগে আনা যাচ্ছে না।

কীভাবে প্রাভাবিত করা হচ্ছে আলুর দাম?

বেচারামের বক্তব্য, ক্রিকেট নিয়ে বেটিংয়ের কথা সকলেই শুনেছেন। কিন্তু, রাজ্যে যেভাবে আলুর দাম নির্ধারণ করা হয়, তা সেই বেটিংকেও নাকি হার মানাবে!

সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন মন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে জানানো হয়েছে, বর্ধমানের মেমারি, বুলবুলিতলা এবং হুগলির বৈঁচি, ভাণ্ডারহাটি, কুমরুল ও তারকেশ্বরের কিছু ব্যবসায়ীই আলুর দাম নিয়ন্ত্রণ করেন।

আসলে হিমঘরে মজুত রাখা আলুর মালিক চাষিরা হলেও আলুর বন্ড কিনে রাখেন কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যক ব্যবসায়ী। কেউ কেউ আবার বেনামে আলু মজুত করেন। এই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ভিনরাজ্যের ব্যবসায়ীদেরও যোগাযোগ থাকে।

প্রত্যেক দিন সন্ধ্যার পর এঁরাই নাকি নিজেদের মধ্য়ে আলোচনা করে, বাজারের চাহিদা বুঝে আলুর দাম কতটা বাড়ানো হবে, তা ঠিক করেন। ফলত – সর্বত্রই আলুর দাম বাড়ে।

আলুর দামে প্রভাব কেমন পড়ে?

একটা ছোট্ট হিসাব দিলেই এই বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে যাবে। তথ্য বলছে, এবছর আলুর সর্বোচ্চ ক্রয়মূল্য ছিল কুইন্টাল প্রতি ১,৪০০ টাকা। তার সঙ্গে হিমঘরের ভাড়া ও অন্যান্য খরচ ধরলে দাম হবে – প্রায় ১,৭৭০ টাকা। এই আলুর পাইকারি বাজার দর তাই কিছুতেই ২,১০০ টাকার থেকে বেশি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু, আদতে তা বিক্রি হয়েছে ২,৬০০ থেকে ২,৭০০ টাকায়!

এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে, কতটা প্রভাবশালী এই চক্র। দাবি করা হচ্ছে, এই অসাধু ব্যবস্থাপনা নাকি বাম আমল থেকেই রাজ্য়ে চালু রয়েছে। এবার তাই এই চক্র ভাঙতে নবান্ন ইডি-র কাছ থেকে সাহায্য নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *