R G Kar: CBI-এর তদন্তের 'গ্রে জোন' তুলে ধরে এবার শীর্ষ আদালতে যাচ্ছেন তিলোত্তমার বাবা-মা - Bengali News | Tilottma's parents are going to the Supreme court highlighting the 'grey zone' of CBI's investigation - 24 Ghanta Bangla News
Home

R G Kar: CBI-এর তদন্তের ‘গ্রে জোন’ তুলে ধরে এবার শীর্ষ আদালতে যাচ্ছেন তিলোত্তমার বাবা-মা – Bengali News | Tilottma’s parents are going to the Supreme court highlighting the ‘grey zone’ of CBI’s investigation

Spread the love

সুপ্রিম কোর্টে তিলোত্তমার বাবা-মাImage Credit source: TV9 Bangla

কলকাতা: সিবিআই তদন্তে প্রশ্ন তুলে এবার সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করলেন তিলোত্তমার বাবা-মা। তিলোত্তমার বাবা-মায়ের বক্তব্য, একা কেবল ধৃত সিভিক ভলান্টিয়র নয়, এর পিছনে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে। কিন্তু সিবিআই এই বিষয়গুলো এড়িয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ।  এর আগে নতুন করে তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় পরিবার। কিন্তু এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন হওয়ায়, হস্তক্ষেপ করেনি হাইকোর্ট। হাইকোর্টকে মামলা শুনতে অনুমতি দিক শীর্ষ  আদালত, এটাই আর্জি জানাচ্ছেন তিলোত্তমার বাবা-মা।

আরও অভিযোগ, সাক্ষীদের মধ্যে নির্যাতিতার মা নিজেই ছিলেন, অথচ তাঁর সাক্ষ্য নেওয়াই হয়নি । সিবিআই-এর তদন্তের বেশ কিছু ‘গ্রে-এরিয়া’ রয়েছে, সেই বিষয়গুলো শীর্ষ আদালতের নজরে আনতে চায় পরিবার। এর আগে গোটা বিষয়টি জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিলোত্তমার বাবা-মা। কিন্তু হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ স্পষ্ট করেছেন, এই মামলা আদৌ তিনি শুনতে পারেন কিনা, তার জন্য অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে। আগামী সোমবার এই বিষয়টি শীর্ষ আদালতে সামনে আনা হবে।

তিলোত্তমার বাবা বলেন, “সিভিক ভলান্টিয়র দোষী। এখনও যারা দোষী রয়েছে, যারা তথ্য প্রমাণ লোপাট করেছে, তাদের বিরুদ্ধে সিবিআই চার্জশিট সেরকমভাবে দেবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কারণ সিবিআই ৯০ দিনেও চার্জশিট জমা দিতে পারেনি। সন্দীপ ঘোষ ও অভিজিৎ মণ্ডলকে ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দিয়েছে। সেই কারণেই হাইকোর্টে গিয়েছি। আর হাইকোর্টে একটা শুনানির ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে বলেই সুপ্রিম কোর্টে যেতে বাধ্য হচ্ছি।”

অন্যদিকে, তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট দেখেছে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া ঠিক ছিল, তাই আর হস্তক্ষেপ করেনি।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *