জিনাতকে কীভাবে ঘুম পাড়ালেন সুন্দরবনের ডেপুটি রেঞ্জার? ‘কাবু বাঘিনীর হালকা নড়াচড়া’, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

জিনাতকে কীভাবে ঘুম পাড়ালেন সুন্দরবনের ডেপুটি রেঞ্জার? ‘কাবু বাঘিনীর হালকা নড়াচড়া’, বাংলার মুখ

Spread the love

একের পর এক জঙ্গল ঘুরে বাঘিনী জিনাতের ঠিকানা এখন আলিপুর চিড়িয়াখানার হাসপাতাল। তবে গত কয়েকদিন ধরে সেই বাঘিনীকে ধরতে কার্যত ছুটে বেরিয়েছে বনদফতরের কর্মী, আধিকারিকরা।একের পর এক জঙ্গল পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু বাঘিনীতে বাগে আনতে পারছিল না বনদফতর। অবশেষে রবিবার ঘুমপাড়ানি গুলির কাছে সাময়িক হার মানে বাঘিনী জিনাত। এরপর সেই বাঘিনীকে খাঁচাবন্দি করতে পারে বনদফতর। তবে ঠিক কীভাবে জিনাতকে ঘুম পাড়ানি গুলি করা হয়েছিল? 

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে রবিবার বিকেল ৪টে বেজে ০৯ মিনিটে জিনাতকে ঘুম পাড়ানো হয়েছিল। তবে একেবারেই যে জিনাত ঘুমিয়ে পড়েছিল তেমনটা নয়। জিনাতকে ঘুম পাড়াতে  যথেষ্ট কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল বনদফতরকে। 

আর সেই জিনাতের ঘুম পাড়ানোর জন্য যার ডাক পড়েছিল তিনি আর কেউ নন, সুন্দরবনের ডেপুটি রেঞ্জার মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস। বনদফতরের অন্দরে বেশ পরিচিত নাম। এর আগে তিনি সুন্দরবনেও বাঘকে ঘুম পাড়িয়েছেন। এবার তাঁর উপরেও দায়িত্ব পড়েছিল। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা?

আসলে এবার ঝাড়গ্রামে বাঘিনী ঢুকেছে এই খবর পাওয়ার পরেই সেখানে ঘাঁটি গেড়েছিলেন তিনি। সংবাদমাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, আমি এর আগে সুন্দরবনে বাঘকে ঘুম পাড়ানি গুলি ছুঁড়েছি। কিন্তু বার বার ঘুমপাড়ানি ডার্ট বাঘ নিজেই সরিয়ে দিচ্ছে এই ধরনের অভিজ্ঞতা আগে হয়নি। সেই জন্যই এই কাজ অনেকটা চ্যালেঞ্জিং ছিল। 

তিনি জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমে রবিবার বিকেল ৪টে নাগাদ বাঘটিকে কাবু করার পরেও হালকা নড়াচড়া করছিল। সেকারণে আবার তাকে হালকা একটা ঘুমপাড়ানি ডোজ দিতে হয়। 

এদিকে বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে যে ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন তাতেও দেখা যায় বাঘিনীকে খাঁচায় আনার পরেও মুখ থেকে ঢাকা সরতেই দেখা যায় জেগে রয়েছে বাঘিনী।  

সাহস করে বাঘ ধরেছে বনদফতর।সেই ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। তিনি লিখেছেন, , ‘বাঘিনী জিনাতকে সফলভাবে উদ্ধার করতে পারার জন্য আমি পশ্চিমবঙ্গের বন বিভাগের আধিকারিকদের আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

‘সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, পুলিশ, পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তাঁদের সকলের মহামূল্যবান সহযোগিতা এবং সমবেত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই অসাধারণ কাজটি করার জন্য।’

তিনি জানিয়েছেন, ‘বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ করতে সকলের দলগত প্রচেষ্টা ও নিষ্ঠা যে কতখানি আন্তরিক, এই সফল উদ্ধার অভিযানই তার জ্বলন্ত প্রমাণ।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *