দিল্লির AIIMS এর ভোলবদল, R G Kar-এর কী হাল? কতদূর এগল সংস্কার? - Bengali News | Delhi's AIIMS transfer, what about R G Kar? How far did the reforms go? - 24 Ghanta Bangla News
Home

দিল্লির AIIMS এর ভোলবদল, R G Kar-এর কী হাল? কতদূর এগল সংস্কার? – Bengali News | Delhi’s AIIMS transfer, what about R G Kar? How far did the reforms go?

কলকাতা: দিল্লি এইমসে ভোলবদল। নিরাপত্তায় এবার AI প্রযুক্তির ব্যবহার। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কড়া নিরাপত্তা। প্রতি ওয়ার্ডের দরজায় থাকবেন নিরাপত্তারক্ষী। কিন্তু দিল্লির হাসপাতালের ভোলবদল হলেও, আরজি করের কী হাল? তা খতিয়ে দেখল TV9 বাংলা।

আরজি করের তিলোত্তমাকাণ্ডের পর আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকরা প্রশ্ন তুলেছিলেন, কেন সেমিনার রুমে ঘুমাতে হয় অন ডিউটি চিকিৎসকদের? এই মামলায় প্রেক্ষিতে হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা আর সুযোগ সুবিধা সুনিশ্চিত করার ওপর জোর দেয় শীর্ষ আদালত। দিল্লি এইমস তা করে দেখিয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চিকিৎসকদের যথাযথ রেস্ট রুম তৈরির জন্য রূপরেখা তৈরি করে ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স। টাস্ক ফোর্সের সুপারিশে ঝাঁ চকচকে পরিকাঠামো দিল্লি এইমসে। কিন্তু প্রশ্ন উঠল ঘটনার এপিসেন্টারে কি ছবি বদলাল?

৭১টি বিশ্রামাগার, ৮২টি শৌচাগার সংস্কারের প্রস্তাব ছিল আরজিকর কর্তৃপক্ষের। ছবি বলছে, পাঁচ মাস পর একাধিক বিভাগে রেস্ট রুম, শৌচাগারের মেরামতি হয়েছে,  তবে সংস্কার হয়নি। ইএনটি বিভাগের শৌচাগার সামগ্রী ভাঙা, দেওয়াল নোংরা। রেস্ট রুম মেরামতি হলেও দিল্লির মতো নয়। এমন‌ই দাবি আরজি করের চিকিৎসকদের।

আরজি করের আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসক আসফাকুল্লা নাইয়া বলেন, “সব জায়গায় প্রলেপও পড়েনি। কোথাও একটা দরজা, কোথাও একটা ছিটকিনি লাগানো হয়েছে। একটা প্রপার ওয়্যাশরুম, রেস্টরুম ডাক্তারদের জন্য থাকলে, মানুষের সেবায় কী প্রভাব পড়বে, সেটা যতদিন না বুঝবে, ততদিন সমস্যার সমাধান হবে না।”

তবে মেডিক্যাল অফিসার তাপস প্রামাণিক বলেন, “কাজ হয়েছে, এখনও হচ্ছে। প্রগেসিংওয়েতে আছে। দিল্লির এইমসের মতো পশ্চিমবঙ্গের মেডিক্যাল কলেজগুলো এক-দুদিনে হয়ে যাবে, সেটা সম্ভব নয়।”

স্ত্রীরোগ, মেডিসিন বিভাগের শৌচাগার, রেস্টরুমের‌ও মানোন্নয়ন হয়নি বলেই অভিযোগ। বলার মতো সংস্কারের প্রলেপ সার্জারি বিভাগের শৌচাগার, রেস্টরুমে। তবে এখন‌ও তা ব্যবহারের অনুমতি মেলেনি।  চিকিৎসকদের অন কল রুমের বাইরে বসানো হয়েছে বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স। অন কল চিকিৎসক‌ই যাতে কেবল এই রুমে ঢুকতে পারেন,  তাই বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্সের ব্যবস্থা। সেই নতুন প্রযুক্তিও এখন‌ও শুরু করা সম্ভব হয়নি।

আরজি করের এমএসভিপি সপ্তর্ষী চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, সংস্কারের জন্য আরজি করে স্থানাভাব রয়েছে।  এর‌ই মধ্যে যতটা সম্ভব রেস্ট রুম, শৌচাগারের সংস্কার হয়েছে। কাজ যা হয়েছে তাতে ক্ষেত্রবিশেষে দিল্লির‌ থেকে কোন‌ও অংশে কম নয়। তিনি বলেন, “যেখান ক্রাইম সিন বলে সিবিআই চিহ্নিত করেছিল, সেমিনার রুমের আশপাশের জায়গা বাদ দিয়ে বাকি জায়গায় ৯৫ শতাংশ কাজ হয়ে গিয়েছে। রেস্ট রুম ব্যবহৃত হচ্ছে। রেস্ট রুমের বাইরে বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আরজিকরে তিনটি অ্যানেক্স রয়েছে। নতুন করে টয়লেট, রেস্ট রুম তৈরির করার জায়গা নেই। সবটা হয়ে গেলে, দিল্লির মতো না হলেও, মোটামুটি অনেকটাই ভাল হবে আরজিকরের পরিকাঠামো।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *