Lifestyle Tips: রোজ মিষ্টি খেলেও বাড়বে না ওজন, কী ভাবে জানেন? – Bengali News | Eat jaggery in spite of sweets to loose weight
বাঙালিরা যে একটু মিষ্টি ভক্ত হবে এ আর নতুন কি বিষয়? রসগোল্লা, নতুন গুড়ের মিষ্টি, দরবেশ, মিষ্টি দই আরও কত কিছু, যা বলে শেষ করা যাবে না। খাবার পরে গালে টুক করে এক-দু’টি মিষ্টি ফেলে দিলেই হল। মিষ্টি না খেলে যেন খাওয়াটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এদিকে মিষ্টি খেলে তারই সঙ্গে বাড়তে থাকে শরীরে অতিরিক্ত মেদ। তাহলে উপায়? কী করলে সাপ মরবে আবার লাঠিও ভাঙবে না? মানে মিষ্টি খাওয়াও হবে আবার ওজন বাড়বে না? রইল টিপস।
১) গুড় খেতে পারেন। এতে থাকা জিঙ্ক, সেলেনিয়ামের মতো খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়াজনিত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও এই গুড় উপযোগী।
২) রক্তে আয়রনের ঘাটতি থাকলেও গুড় খেতে বলা হয়। রক্তাল্পতা রয়েছে এমন রোগীদের চিকিৎসায় বহুল জনপ্রিয় এই আয়ুর্বেদিক উপায়। খাওয়াদাওয়ার পরে তাই একটু গুড় খাওয়া স্বাস্থ্যকর
৩) অনেক দিনের পুরনো কাশি, বুকে জমা সর্দির কষ্ট কমাতে গুড় দারুণ কাজ করে। ভাইরাসের সংক্রমণে শ্বাসযন্ত্রের নানা রকম সমস্যা হয়। শ্বাসকষ্ট থেকে রেহাই মিলতে পারে নিয়মিত একটু করে গুড় খেলে।
৪) গরমের খাওয়াদাওয়ার পরেই পেটভার, গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন কেউ কেউ। পেটের সমস্যা থেকে রেহাই পেতে এক টুকরো গুড় ভীষণ উপকারী। কোষ্ঠকাঠিন্য, হজমের সমস্যা কিংবা ডায়েরিয়া— পেটের যে কোনও সমস্যায় ঘরোয়া টোটকা হিসেবে খেয়ে দেখতে পারেন ভেলি গুড়। অন্ত্র ভাল রাখতে এই টোটকা দারুণ কাজ করে।
৫) বয়স বাড়লেই গাঁটে গাঁটের ব্যথা বাড়ে। এখন অবশ্য অল্পবয়সিদের মধ্যেও এই বাতের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বাত না থাকলেও অস্থিসন্ধির যন্ত্রণায় কাবু হন অনেকেই। পেশি এবং হাড়ের নমনীয়তা বজায় রাখতে, হাঁড়ের যন্ত্রণা থেকে রেহাই পেতে হলে এক টুকরো গুড় খেতেই পারেন।