Murshidabad: জঙ্গিদের ‘টিকি’ বাঁধা আছে বাংলাদেশের টাওয়ারে! জেনেও ‘অসহায়’ ভারতীয় গোয়েন্দারা – Bengali News | Smugglers used Bangladeshi sim card in Bangladesh border in Murshidabad
জলঙ্গি: কড়া নজরদারি। দিনরাত টহল। সীমান্তে জঙ্গি কার্যকলাপ রুখতে তৎপর বিএসএফ। কিন্তু, জঙ্গি ও চোরাচালানকারীদের ফোন ট্র্যাক করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। কারণ, ভারতের সীমান্তে বসে বাংলাদেশের সিম ব্যবহার করা হচ্ছে। মুর্শিদাবাদ-বাংলাদেশ সীমান্তে এই বাংলাদেশের সিম কার্ড ব্যবহারই এখন মাথাব্যথার কারণ গোয়েন্দাদের।
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মুর্শিদাবাদ জেলায় রয়েছে ১২৫ কিলোমিটার সীমানা। তার মধ্যে কোথাও জলপথ। কোথাও রয়েছে মেঠো পথ। মেঠো পথে অনেক জায়গায় কাঁটাতার নেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কাঁটাতার না থাকার সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে অনুপ্রবেশকারীরা। এর পাশাপাশি গোয়েন্দাদের চিন্তা বাড়িয়েছে সীমান্তে বাংলাদেশের সিম কার্ড ব্যবহার। যার জেরে চোরাচালানকারীদের ফোন ট্র্যাক করা সম্ভব হচ্ছে না।
মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় কাঁটাতার নেই। সীমান্ত লাগোয়া চড়বদরা, উদয়নারায়ণপুর-সহ যেসব গ্রাম রয়েছে, সেই সব এলাকায় অনায়াসে বাংলাদেশি সিম কার্ড পাওয়া যায় বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন। বাংলাদেশের ফোনের টাওয়ারও ধরে। ফলে সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশের সিম কার্ড ব্যবহার করতে অসুবিধা হয় না।
এই খবরটিও পড়ুন
সীমান্তে অনেকেই বাংলাদেশের সিম কার্ড ব্যবহার করেন। অভিযোগ, বাংলাদেশের চোরাচালানকারীরা সীমান্তে অনেককে সেই সিম ব্যবহারে বাধ্যও করে। ফলে আতঙ্কে থাকে সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলির বাসিন্দারাও। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এই এলাকায় অনেকে আছেন, যাঁরা বাংলাদেশের সিম কার্ড ব্যবহার করেন।
আবার চোরাচালানকারীদের সঙ্গে যুক্তরা বাংলাদেশের সিম ব্যবহার করায় তাদের ফোন ট্র্যাক করা কঠিন হয়। সাইবার ক্রাইম ও গোয়েন্দা সংস্থা বলছে, ভারতীয় বিভিন্ন কোম্পানির সিম ট্র্যাক করার ক্ষেত্রে যে ড্যাশবোর্ড রয়েছে, সেখানে বাংলাদেশের সিম ট্র্যাক করার সেই ড্যাশবোর্ড নেই। বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, বাংলাদেশের প্রায় ৫০টি সিম কার্ড চালু রয়েছে মুর্শিদাবাদে।
এক সাইবার আধিকারিক জানান, “ভারতের যেসব কোম্পানির সিম কার্ড রয়েছে সেগুলি ট্র্যাক করার জন্য আমাদের কাছে যে ড্যাশবোর্ড রয়েছে, সেগুলি অন্য কোনও দেশের সিম কার্ড ট্র্যাক করা সহজে সম্ভব হয় না।”
