Virat Kohli: ‘২৪১-টা মনে করো…’, বিরাটকে কোটি টাকার পরামর্শ সুনীল গাভাসকরের – Bengali News | Sunil Gavaskar Asks Struggling Virat Kohli To Follow Sachin Tendulkar’s Footsteps: ‘Remember His 241 in Sydney’
অফস্টাম্পের বাইরে। ষষ্ঠ, সপ্তম স্টাম্পও বলা যায় না। সম্ভবত তারও বাইরে। সেই ডেলিভারিই তাড়া করলেন বিরাট কোহলি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং বিরাট কোহলি। এমনকি তাঁর একনিষ্ঠ ভক্তরাও কমেন্ট করছেন, হয় অফস্টাম্পের বাইরের বল তাড়া করার লোভ সামলান, নয়তো অবসর নিন। ব্রিসবেন টেস্টের প্রস্তুতিতে নেটে দেখা গিয়েছে, অফস্টাম্পের বাইরের বল ছেড়ে দিচ্ছিলেন বিরাট কোহলি। তা হলে ম্যাচে কেন নয়? বিরাটকে কড়া ভাষায় নিজের আদর্শকেই অনুসরণের পরামর্শ দিলেন কিংবদন্তি সুনীল গাভাসকর।
প্রতি প্রজন্মেই এমন একজন ক্রিকেটার আসেন, যিনি বিশ্ব ক্রিকেটে সকলের আদর্শ হয়ে ওঠেন। সুনীল গাভাসকর, সচিন তেন্ডুলকর তেমনই দু-জন। সচিনকে দেখেই ক্রিকেটে প্রেরণা পান বিরাট কোহলি। ওয়ান ডে বিশ্বকাপে নিজের আদর্শের সামনেই তাঁর সবচেয়ে বেশি ওয়ান ডে সেঞ্চুরির রেকর্ড ভেঙেছিলেন বিরাট। দীর্ঘ সময় ধরেই সচিনের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে বিরাট কোহলিকে। বিরাটও বারবার বলেছেন, সচিনের সঙ্গে তুলনা করা কোনওভাবেই সম্ভব নয়। তাঁকে দেখেই ক্রিকেটে এগিয়ে যাওয়া। তা হলে টেস্ট ক্রিকেটে কেন সচিনের মতো মানসিক নিয়ন্ত্রণ অনুসরণ করছেন না?
সম্প্রচারকারী চ্যানেলে কিংবদন্তি সুনীল গাভাসকর বলেন, ‘সচিনকে অনুসরণ করো। ওর সেই ২৪১ রানের ইনিংসটাকেও তা হলে মনে রাখা উচিত। প্রয়োজনে বারবার সেই ভিডিয়ো দেখো। নিজেকে বোঝাও।’ তিন ফরম্যাটেই প্রচুর রান করেছেন বিরাট। কিন্তু বারবার একই ভুলের পুনরাবৃত্তিতে বিরক্ত সানি। আজকের ম্যাচে আউট প্রসঙ্গে বলছেন, ‘এটা কোনও ভালো ডেলিভারি ছিল না। বিরাট ড্রাইভ, শটও খেলেনি। এটা জাস্ট একটা পুশ। অফস্টাম্পের বাইরের বলে লোভ সামলাতে না পারলে মুশকিল।’
এই খবরটিও পড়ুন
এই প্রসঙ্গেই সচিনের অধ্যাবসায়ের কথা তুলে ধরেন। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেই ২৪১ রানের সেই ঐতিহাসিক ইনিংস খেলেছিলেন সচিন তেন্ডুলকর। সানির কথায় উঠে এল ২০০৩-০৪ সিডনি টেস্টের সেই ঘটনা। বলেন, ‘তার আগের ম্যাচগুলিতে ড্রাইভ খেলতে গিয়ে আউট হয়েছে সচিন। সিডনি টেস্টের আগে মানসিক ভাবে নিজেকে তৈরি করেছিল, কভার ড্রাইভ খেলবে না। ওই ইনিংসটা সে কারণেই সকলের কাছে উদাহরণ। অফস্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিতে তাঁকে লোভ দেখানো হলেও সচিন ফাঁদে পা দেয়নি। স্ট্রেট ড্রাইভ, অন ড্রাইভ, বেশিরভাগই অনসাইডে খেলেছে। এই অধ্যাবসায়টাই প্রয়োজন।’