Sheikh Hasina: বাংলাদেশে না থাকলেও হাসিনার পিছু ছাড়ছে না ইউনূস প্রশাসন, নিল বড় সিদ্ধান্ত – Bengali News | There is no problem to conduct proceedings against Sheikh Hasina without her present, says Bangladesh’s International crimes Tribunal
মহম্মদ ইউনুস (বাঁদিকে), শেখ হাসিনা (ডানদিকে)
ঢাকা: মাস চারেক আগে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। তারপর তাঁর বিরুদ্ধে গণহত্যা-সহ একাধিক মামলা হয়েছে। এবার হাসিনার অনুপস্থিতিতেই তাঁর বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে চায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তাতে কোনও অসুবিধে নেই বলে জানালেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শদাতা টবি ক্যাডম্যান।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের জেরে গত জুলাই থেকে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে অনেকের মৃত্য়ু হয়। শেষপর্যন্ত আন্দোলনের জেরে গত ৫ অগস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন হাসিনা। ভারতে পা রাখেন। হাসিনা দেশ ছাড়ার তিনদিনের মাথায় মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হয়। তারপরই আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা হতে থাকে।
বুধবার প্রসিকিউশন টিম ও তদন্ত সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করেন চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শদাতা। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, হাসিনাকে যদি বাংলাদেশে ফেরত নাও আনা যায়, তাঁর অনুপস্থিতিতে বিচার প্রক্রিয়া চলবে। টবি ক্যাডম্যান বলেন, “জুলাই-অগস্টে গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মান মানা হচ্ছে। ট্রাইব্যুনালের দু’একটি ধারা আলোচনার মাধ্যমে সংশোধন করা যেতে পারে। গণহত্যার বিচার নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।”
এই খবরটিও পড়ুন
এদিন সকাল ৯টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসেন চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শদাতা আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন বিশেষজ্ঞ টবি ক্যাডম্যান। পরে জুলাই-অগস্টে গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর ও তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল পদমর্যাদার প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও তদন্ত সংস্থার প্রধানরা।
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মহম্মদ তাজুল ইসলামের বিশেষ পরামর্শদাতা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে লন্ডনের একটি আইনি সংস্থার যুগ্ম প্রধান টবি ক্যাডম্যানকে।
এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে এক পোস্টে টবি ক্যাডম্যান লেখেন, “বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একজন স্পেশাল প্রসিকিউটর অ্যাডভাইজার নিয়োগ হওয়ায় সম্মানিত বোধ করছি।” কোটা সংস্কার আন্দোলনের জেরে হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে এসেছিলেন টবি ক্যাডম্যান। গত ২ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন তিনি।
