'মায়ের স্নেহের কোনও তুলনা হয় না...', মাকে নিয়ে আবেগঘন ঋতুপর্ণা - Bengali News | Ritupana sengupta on her mother how much she matter to her - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘মায়ের স্নেহের কোনও তুলনা হয় না…’, মাকে নিয়ে আবেগঘন ঋতুপর্ণা – Bengali News | Ritupana sengupta on her mother how much she matter to her

Spread the love

মাতৃহারা অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। মাকে হারিয়ে ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী। গত কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন নন্দিতা সেনগুপ্ত। স্বামীর সঙ্গে কলকাতাতেই রয়েছেন তিনি। পায়ের পাশে প্রতিটা মুহূর্তে থেকেছেন গত ১৫ দিন। এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন নন্দিতা দেবী। শনিবার সব লড়াই শেষ। মাকে ঋতুপর্ণা কতটা শ্রদ্ধা করেন, কতটা ভালবাসেন, তা অভিনেত্রীর কথা শুনলেই বোঝা যায়। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে মাকে নিয়ে গর্ব করতে দেখা গিয়েছে অভিনেত্রীকে।

শর্মিলা শো হাউস-এর মাধ্যমে একবার মাতৃদিবসে মাকে নিয়ে এক দীর্ঘ বার্তা দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। কী বলেছিলেন সেই ভিডিয়োতে ঋতুপর্ণা? “মায়ের তো কোনও বিকল্প হয় না। মায়ের স্নেহ পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ। যাঁরা সত্যি মাকে পাননি, খুব ছোটবেলায় মাকে হারিয়েছেন, তাঁরা যে কী হারিয়েছেন, তা সত্যি ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। আজ নিজে মা হয়েছি, তাই বুঝতে পারি। মা যখন শাসন করেছেন, মা বকেছেন, মা সাবধান করেছেন, মা উপদেশ দিয়েছেন, সবটাই ভালর জন্য। এখন বুঝি সন্তানের জন্য কেন মায়ের প্রাণ কাঁদে। আমার মনে হয় যে একজন মহিলার কাছে তাঁর সন্তানের থেকে বেশি কিছুই হয় না। সবকিছু ভুলে সে সন্তানকেই জীবনে আপন করে নেয়। সেটার মর্ম আমি বুঝতে পারি।”

তিনি আরও বলেন, “আমি সব সময় মনে করি যে, আমি যদি আরও ভাল মা হতে পারতাম…। আমার পেশার কারণে আমি খুব বেশি সময় দিয়ে উঠতে পারি না। লকডাউনের সময় আমার মনে হয়, সন্তানেরা অনেক বেশি মাকে কাছে পেয়েছে। আমার মা তো প্রতিটা মুহূর্তে অভিযোগ করে, যতটা ফোন করার কথা ততটা ফোন করিস না। ভুলে যাস, কাজে ব্যস্ত থাকিস। আমি এক্ষেত্রেও একই কথা বলব, মায়ের স্নেহের কোনও তুলনা হয় না। আমার বিশ্বাস মাকে যাঁরা ভালবাসেন, তাঁরা সবসময় ঈশ্বরকে কাছে পাবেন। আর মাকে যাঁরা কষ্ট দেন, মাকে যাঁরা অবহেলা করেন, অনেক সময় অনেককিছুই শুনি, তাঁদের উদ্দেশে একটা কথাই বলব, মাকে যে ভালবাসবে সে জীবনের থেকে অনেক কিছু পাবে।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *