Vande Bharat: ছেলেকে শুধু বন্দে ভারতে তুলতে গিয়ে চরম বিড়ম্বনায় বাবা, গুনতে হল জরিমানা, নিয়ম পর্যন্ত বদলে ফেলল রেল - Bengali News | Father has to pay money after he took son to vande bharat express - 24 Ghanta Bangla News
Home

Vande Bharat: ছেলেকে শুধু বন্দে ভারতে তুলতে গিয়ে চরম বিড়ম্বনায় বাবা, গুনতে হল জরিমানা, নিয়ম পর্যন্ত বদলে ফেলল রেল – Bengali News | Father has to pay money after he took son to vande bharat express

নয়া দিল্লি: বর্তমানে ‘বন্দে ভারত’ এক্সপ্রেস যথেষ্ট জনপ্রিয়। আর সেই বন্দে ভারতে ছেলেকে তুলে দিতে গিয়ে যা ঘটাল বাবার সঙ্গে, তা এক অদ্ভুত বিড়ম্বনাই বটে। ছেলে কর্মস্থলে যাবে বলে ট্রেনে ওঠেন। ব্যাগপত্র নিয়ে ট্রেনের আসনে বসিয়ে দিতে ওঠেন বাবা। কিন্তু বিপদ ঘটল নামার সময়। নামার আগেই বন্ধ হয়ে গেল ট্রেনের স্বয়ংক্রিয় দরজা। নামা তো দূর, দিল্লি পর্যন্ত চলে গেলেন বাবা।

রাম বিলাস যাদব নামে ওই ব্যক্তি তাঁর ছেলের লাগেজ নিয়ে দিল্লি যাওয়ার জন্য ২২৪১৫ বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের কোচ সি-৬-এ উঠেছিলেন। তিনি বেরনোর আগেই ট্রেনের স্বয়ংক্রিয় দরজা বন্ধ হয়ে যায়। ভিতরে আটকে যান ওই ব্যক্তি।

বারাণসী থেকে নয়া দিল্লি যা যে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, তারই ,সি-৬ চেয়ার কারে উঠেছিলেন তিনি। ছেলের জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখার পর রামবিলাস ট্রেন থেকে নামার চেষ্টা করেন। এরপর তিনি কেবিনে যোগাযোগ করে চালকের সাহায্য নেওয়ার চেষ্টা করেন। তাঁর অনুরোধ সত্ত্বেও ট্রেনটি এগিয়ে যায়। এরপর তাঁকে বিনা টিকিটে ভ্রমণ করার জন্য জরিমানা দিতে হয়। ২,৮৭০ টাকার জরিমানা ধার্য করা হয়।

এরপরই রেলের তরফে নতুন একটি নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। বন্দে ভারত ট্রেনের স্বয়ংক্রিয় দরজা সংক্রান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে এই নির্দেশিকা দেওয়া হয়। নিয়ম হল, ট্রেন চলার সময় এই দরজাগুলি সিল করা থাকে। সেই নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, শুধুমাত্র যাঁদের কাছে টিকিট আছে, তাঁরাই বন্দে ভারতে চড়বে, আর ট্রেন ছেড়ে যাওয়া যাত্রীদের প্লাটফর্মেই থাকতে হবে।

অ্যাডভাইজরিতে আরও বলা হয়েছে যে সেন্সর দিয়ে সজ্জিত দরজাগুলি ড্রাইভারের নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। সিস্টেমটি পূর্ব-নির্ধারিত স্টপেজগুলির উপর ভিত্তি করে কাজ করে, পুরো যাত্রা জুড়ে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে। লাইন পরিষ্কার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দরজা বন্ধ হয়ে যায়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *