Sulatha Kamatha: পুত্র ক'দিন আগেই মারা গিয়েছে, তবু জীবনের দৌড় থামাননি তিয়াত্তরের 'ষোড়শী' - Bengali News | Sulatha Kamatha is smashing the age and taking part in marathon barefoot at the age of 73 - 24 Ghanta Bangla News
Home

Sulatha Kamatha: পুত্র ক’দিন আগেই মারা গিয়েছে, তবু জীবনের দৌড় থামাননি তিয়াত্তরের ‘ষোড়শী’ – Bengali News | Sulatha Kamatha is smashing the age and taking part in marathon barefoot at the age of 73

বয়স তাঁর কাছে কেবল একটি সংখ্যা মাত্র। ৭০ পেরিয়েও তিনি যেন তাঁর ‘সুইট ১৬’-এই আছেন। একের পর এক রেকর্ড গড়ে চলেছেন ৭৩ বছরের অ্যাথলিট সুলথা কামাথ।

সম্প্রতি ১০ নভেম্বর ২০২৪ নিভিয়াস ম্যাঙ্গালোর ২১ কিলোমিটার ম্যারাথন দৌড়ে নাম দিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, ২১ কিলোমিটার দৌড়তে তাঁর সময় লেগছে মাত্র ২ ঘণ্টা ৫১ মিনিট ৪৮ সেকেন্ড। দৌড়ানোর সময় পায়ে সুরক্ষার জন্য থাকে কেবল মোজা।

ডব্লিউটিএন মিডিয়াকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে সুলেখা বলেন, “আমি বয়স ৭৩। আমি ৬০ বছরের বৃদ্ধদের সঙ্গে দৌড়োয় আবার ১৩ বছরের তরুণ তরুণীদের সঙ্গে দৌড়েও প্রথম স্থান অধিকার করেছি।”

সুলেখার ৩০ বছরের অ্যাথলিট জীবনে গোটা বিশ্ব জুরে বহু প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। সারা জীবনে ১১০০ মেডেল জিতেছেন তিনি। যার মধ্যে ২২টি আন্তর্জাতিক মেডেল।

নিজের স্বাস্থ্য প্রতি সুলথার যত্ন দেখলে অবাক হতে হয়। টাইমস অফ ইন্ডিয়া’কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে সুলতা বলেন, “আমি চশমা পরি না। সম্প্রতি, একজন চিকিৎসক অবাক হয়েছিলেন যে আমার কোন বিপি বা ডায়াবেটিসের সমস্যা নেই।”

তরুণ প্রজন্মকেও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের প্রতি উৎসাহিত করেনন তিনি। কেবল দৌড়ে নয়, ক্যারাটেতেও দক্ষ সুলথা ব্রাউন বেল্টের অধিকারী। তাঁর বড় মেয়ে ৩৫ বছরের স্মিতা কিনির সঙ্গেই একসঙ্গে ক্যারাটের প্রশিক্ষণ নিতেন সুলথা। জেষ্ঠ্য কন্যা স্মিতি ব্ল্যাক বেল্টের অধিকারী।

এত কিছু পরেও সুলথার যাত্রাপথ কোনও দিন সহজ ছিল না। এমনকি মাত্র ৮ মাস আগে, সুলথা তাঁর ৩০ বছরের ছেলে সন্দীপ কামাথকে হারিয়েছেন। তবু তিনি থেমে থাকেননি। সন্দীপের জলের ব্যবসা পরিচালনার মধ্যে দিয়েই শান্তি খুঁজে পান তিনি। ৭৩ বছর বয়সেও সুলথার এই স্বাস্থ্য সচেতনতা, ফিটনেস এবং বেঁচে থাকার অদম্য ইচ্ছা পরবর্তী প্রজন্মকেও অনুপ্রেরণা জোগায়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *