Bankura: আর মাত্র ফুট পাঁচেক দূরত্ব, যে কোনও মুহূর্তে তলিয়ে যেতে পারে আস্ত স্কুল, আতঙ্কে গোটা গ্রাম – Bengali News | Distance of only five feet, the entire school, the entire village can collapse at any moment
আতঙ্ক বাড়ছে গ্রামে Image Credit source: TV 9 Bangla
বাঁকুড়া: লাগাতার ভারী বৃষ্টি। আর সেই বৃষ্টির জেরে গ্রাম লাগোয়া দেবখালের ভয়াবহ ভাঙনের কবলে পড়ল বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লকের সেখডাঙ্গা গ্রাম। গ্রাম আর খালের মাঝে দূরত্ব আর মাত্র কয়েক ফুট। যেভাবে খালের পাড় ভাঙছে তাতে স্থানীয় একটি শিশু শিক্ষা কেন্দ্র সহ একাধিক বাড়ি খালের জলে তলিয়ে যাওয়া এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়ার জন্য রাজ্যের সরকারের দিকে আঙুল তুলেছেন স্থানীয় বিধায়ক। পঞ্চায়েত সমিতির দাবি, ইতিমধ্যেই বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দুর্যোগ কাটলেই পাড় বাঁধানোর কাজ শুরু হবে।
বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লকের সেখডাঙ্গা গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে দেবখাল। এমনিতে আপাত শান্ত দেবখাল নিয়ে তেমন চিন্তা না থাকায় খালের পাড় থেকে কিছুটা দূরে একসময় গড়ে উঠেছিল স্থানীয় শিশু শিক্ষা কেন্দ্র। স্থানীয় বাসিন্দারাও গড়ে তুলেছিলেন বসত বাড়ি। কিন্তু সম্প্রতি একের পর এক ভারী বৃষ্টিতে দেবখালে শুরু হয় ভয়াবহ ভাঙন। পাড় ভাঙতে ভাঙতে দেবখাল এগিয়ে আসতে শুরু করে গ্রামের দিকে। সম্প্রতি দানার ভারী বৃষ্টির জেরে পরিস্থিতি এমন হয় যে পাড় ভাঙতে ভাঙতে দেবখাল এসে পৌঁছে যায় গ্রামের ভিতরে। প্রতিনিয়ত ঝুপঝাপ করে ধসে পড়ছে পাড়ের মাটি। মাঝে মাত্র আর ফুট পাঁচেক দূরত্ব। তারপরই দেবখালের প্রবল স্রোত গিলে খাবে শিশু শিক্ষা কেন্দ্র সহ গ্রামের একাধিক পাকা বাড়ি। এই পরিস্থিতিতে কার্যত রাতের ঘুম উড়েছে সেখডাঙ্গা গ্রামের মানুষদের।
আতঙ্কে শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে গ্রামের শিশুদের পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছেন গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসীদের দাবি বারবার দেবখালের ভাঙনের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এনে খালের পাড় বাঁধানোর আবেদন জানানো হলেও লাভের লাভ কিছুই হয়নি। স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক এই ঘটনার জন্য তোপ দেগেছেন রাজ্য সরকারকেই। তাঁর দাবি, পরবর্তী অধিবেশনে বিষয়টি বিধানসভায় তুলে ধরে দেবখালের পাড় বাঁধানোর আবেদন জানাবেন তিনি। স্থানীয় ইন্দাস পঞ্চায়েত সমিতির দাবি, দেবখালের এই ভাঙনের বিষয়টি নজরে আসতেই তাঁরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। দূর্যোগ কাটলেই ওই এলাকায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। কিন্তু কবে হবে সেই কাজ সেই দিকেই আপাতত তাকিয়ে সেখডাঙ্গা গ্রামের মানুষ।