Cyclone Dana: খাঁ খাঁ করছে সমুদ্র সৈকত, গিজগিজে ভিড় স্টেশনে! রাতারাতি বদলে গেল পুরী – Bengali News | Vacant Sea Beach, Crowd in Railway Station, Hotel & Tour Operators face Huge loss as Tourists Leave puri due to Cyclone Dana
আকাশে কালো মেঘ। ফাঁকা করা হচ্ছে সমুদ্র সৈকত।Image Credit source: Getty Image & PTI
পুরী: এ যেন উল্টো চিত্র। উৎসবের মরশুম চলছে। সামনেই কালীপুজো, ভাইফোঁটার ছুটি। এই সময়টা ভিড়ে ভিড়াক্কার থাকে। পর্যটকদের চাপে হাঁসফাঁস করেন হোটেল মালিক, গাড়ির ব্যবসায়ীরা। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বুকিং পরিপূর্ণ, ট্রেনে-বাসে পর্যটকদের ঢল নামার কথা। হঠাৎ সব ওলট-পালট হয়ে গেল দানার দাপটে। ঘূর্ণিঝড় আসছে শুনেই ‘পালাই পালাই’ রব পর্যটকদের। আর এতেই মাথায় হাত হোটেল মালিক-পর্যটন ব্যবসায়ীদের। উল্টোদিকে উপচে পড়া ভিড় স্টেশনে। যাবতীয় বুকিং বাতিল করে সবাই ঘরে ফিরতে চাইছেন।
পশ্চিমবঙ্গ-ওড়িশা উপকূল ধরে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় দানা। ওড়িশার ভিতরকণিকাতে ল্যান্ডফল হওয়ার কথা। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার মধ্যে স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়।
‘দানা’ দাপট শুরু হওয়ার আগেই পুরীর সমুদ্র সৈকত ফাঁকা করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশেপাশের হোটেলগুলিও ফাঁকা করা হচ্ছে। অন্য সময় যেখানে সমুদ্রে জলকেলীতে মত্ত থাকেন পর্যটকরা, সেখানেই মঙ্গলবার থেকে কার্যত খাঁ খাঁ করছে সমুদ্র তট। বন্ধ রাখা হয়েছে পুরীর জগন্নাথ মন্দির, কোনার্কের সূর্য মন্দির।
ঘূর্ণিঝড়ে কী পরিস্থিতি হবে, এই আশঙ্কায় পুরীতে থাকার ঝুঁকি নিতে নারাজ পর্যটকরা। রাতারাতি সবাই হোটেল ছেড়ে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন। যাদের আসার কথা ছিল, তারাও ফোন করে বুকিং বাতিল করে দিচ্ছেন। উৎসবের মরশুমে এমন ক্ষতির মুখে পড়ে মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের।
অন্য়দিকে, উপচে পড়া ভিড় স্টেশনে। তৎকালে টিকিটের ধুম পড়েছে। এমনকী, জেনারেল কামরাতে হলেও কোনওমতে বাড়ি ফিরতে চাইছেন পর্যটকরা। যারা ট্রেনের টিকিট পাচ্ছেন না, তারা বাসে বা আলাদা করে গাড়ি ভাড়া করে ফিরে আসছেন।
