Tilottama's parents: 'আমার দেবীর বিসর্জন হয়ে গেছে', ষষ্ঠী থেকে ধরনায় বসছেন তিলোত্তমার বাবা-মা - Bengali News | We will sit on dharna from sashti, say Tilottama's parents - 24 Ghanta Bangla News
Home

Tilottama’s parents: ‘আমার দেবীর বিসর্জন হয়ে গেছে’, ষষ্ঠী থেকে ধরনায় বসছেন তিলোত্তমার বাবা-মা – Bengali News | We will sit on dharna from sashti, say Tilottama’s parents

Spread the love

পানিহাটি: বাড়ির সামনে পুজো। প্রতি বছর সেজে উঠত তাঁদের বাড়ি। এবারও পুজোর দিনগুলি কী করবেন, তা ভেবে রেখেছিলেন। কিন্তু, একরাতে বদলে গিয়েছে সবকিছু। পাড়ায় পুজো হচ্ছে। কিন্তু, তাঁদের বাড়ি আর সেজে উঠবে না। ভোরবেলা উঠে মায়ের সঙ্গে শিউলি ফুল কুড়োতে যাবে না তিলোত্তমা। রবিবার কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ছিলেন তিলোত্তমার মা-বাবা। মেয়ের স্মৃতি বুকে নিয়ে পুজোর সময় ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত ধরনায় বসছেন তাঁরা। এর জন্য বাড়ির সামনে মঞ্চ বাঁধা হচ্ছে। তিলোত্তমার বাবা-মা জানালেন, যে কেউ ধরনা মঞ্চে আসতে পারেন। তবে কোনও রাজনৈতিক রং লাগুক, চাইছেন না তাঁরা।

পুজোর সময় মেয়ের উচ্ছ্বাসের কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন তিলোত্তমার বাবা। বলেন, “পুজো নিয়ে প্রতিবছর মেতে উঠত আমার মেয়ে। এবার মনের কষ্ট কমানোর চেষ্টা করব ওই চারদিন। মঞ্চে গিয়ে বসব।” তিলোত্তমার মা বলেন, “পুজোর কেনাকাটাও হয়ে গিয়েছিল। তার মধ্যে আমার দেবীর বিসর্জন হয়ে গেল।” মেয়ের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমার মেয়ে শিউলি ফুল কুড়োতে ভালবাসত। আমরা ২ জনে ভোরবেলা শিউলি ফুল কুড়োতে যেতাম।” বলতে বলতেই চোখে জল চলে আসে তিলোত্তমার মায়ের।

গত ৯ অগস্ট আরজি করের সেমিনার হল থেকে উদ্ধার হয় তিলোত্তমার দেহ। তারপর কেটে গিয়েছে প্রায় ২ মাস। তিলোত্তমার ন্যায় বিচারের দাবিতে আন্দোলন করছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁদের দশ দফা দাবি নিয়ে সরকার কোনও পদক্ষেপ করেনি বলে অভিযোগ তুলে জুনিয়র ডাক্তাররা শনিবার রাত সাড়ে আটটা থেকে আমরণ অনশন শুরু করেছেন। জুনিয়র ডাক্তারদের এই অনশন নিয়ে তিলোত্তমার মা এদিন বলেন, “আমার কান্না পাচ্ছে জুনিয়র ডাক্তারদের জন্য। ওদের সঙ্গে আলোচনার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে আবেদন জানাচ্ছি। আলোচনা করলে সব সমস্যার সমাধান হয়।”

এই খবরটিও পড়ুন

গতকাল দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে। এই নিয়ে এদিন তিলোত্তমার বাবা-মা বলেন, “গতকাল কুলতলির ঘটনাটা টিভিতে দেখছিলাম। ৯ অগস্টের কথাটা মনে পড়ে যাচ্ছে। একইরকম ঘটনা। দুষ্কৃতীদের মাথায় প্রশাসনের হাত না থাকলে এতটা সাহস পায় কী করে? সরকার কেন মানবিক হচ্ছে না? সরকার যদি মানবিক না হয়, তাহলে এইসব দুর্ঘটনা কমবে কী করে?”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *