Sheba Tree: হাজার বছরের পুরনো এক বীজ থেকে ইজরাইলের মরুভূমিতে মিরাকল! – Bengali News | 1,000 Year Old Seed Revived In Israeli Desert, Grows Into 10 Foot Tree
১,০০০ বছরের প্রাচীন বীজ থেকে জন্ম নিল বিলুপ্ত গাছ Image Credit source: Communication Biology 2024
জেরুজালেম: মনে করা হয়, বাইবেলে উল্লেখ ছিল এই গাছের। নাম ‘শেবা’। তবে, দীর্ঘদিন আগেই এই গাছ বিলুপ্ত হয়ে গয়েছিল। কিন্তু, চমৎকার ঘটালেন বিজ্ঞানীরা। ইজরাইলের মরুভূমির বুকে, ১,০০০ বছরের প্রাচীন একটি বীজ থেকে পরিপূর্ণ গাছের জন্ম দিলেন তাঁরা। একটি ১০ ফুট লম্বা পরিপূর্ণ গাছে পরিণত হয়েছে প্রাচীন বীজটি। বাইবেলের সমসাময়িক এই গাছের বিভিন্ন ঔষধি গুণাবলী রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এমনকি, ক্যান্সার প্রতিরোধী যৌগও রয়েছে। গত শতাব্দীর আটের দশকে এই প্রাচীন বীজটি খুঁজে পেয়েছিলেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। এর বেশ কয়েক বছর পরে, জেরুজালেমের ‘লুই এল বোরিক ন্যাচারাল মেডিসিন রিসার্চ সেন্টারে’র ডা. সারাহ স্যালন, বীজটি রোপণ করে, তা থেকে বিলুপ্ত গাছটিকে পুনরুদ্ধার করা যায় কিনা, সেই বিষয়ে গবেষণা শুরু করেছিলেন।
চমকে গিয়েছিলেন গবেষকরা। বীজটি রোপণের মাত্র পাঁচ সপ্তাহ পরই একটি ছোট অঙ্কুর দেখা দিয়েছিল। বিজ্ঞানীদের মতে, এটি সম্ভবত কমিফোরা গণের উদ্ধিদ। যদিও এর সঠিক প্রজাতি এখনও অজানা এবং সম্ভবত বিলুপ্ত। এটি এখন এক ১০ ফুট লম্বা গাছে পরিণত হয়েছে। উচ্চতার দিক থেকে সমৃদ্ধ হলেও, গাছটিতে এখনও ফুল বা ফল আসেনি বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। বাইবেলে যে শেবা নামে গাছের উল্লেখ রয়েছে। বাইবেল অনুযায়ী, গাছটির নিরাময় গুণ রয়েছে। গবেষকদের মতে, সম্ভবত এটিই সেই শেবা গাছ। হাইব্রিড কৌশল ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা ‘উলি ম্যামথ’ বা ‘ডোডো’ পাখির মতো বিলুপ্ত প্রজাতিগুলিকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। শেবা গাছটির পুনরুদ্ধার সেই বৃহত্তর প্রচেষ্টারই অংশ।
প্রাণী বা উদ্ভিদ ছাড়াও, প্রাচীন ডিএনএ-ও অধ্যয়ন করছেন বিজ্ঞানীরা। এই ধরনের গবেষণা থেকে নতুন নতুন ওষুধ তৈরি বা আধুনিক ওষুধকে আরও উন্নত করতে জেনেটিক বৈচিত্র্য সম্পর্কে আরও ভাল বোধ তৈরি হতে পারে। ডেনমার্কে, প্রত্নতাত্ত্বিকরা একটি ভাইকিং-যুগের সমাধিস্থল খুঁজে পেয়েছেন। সেখানে একটি ওয়াগনের মধ্যে এক মহিলা সহ ৫০ জনেরও বেশি ব্যক্তির দেহ সমাহিত আছে। ওই কঙ্কালগুলি খুব ভালভাবে সংরক্ষিত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওই ব্যক্তিদের সম্পর্কে আরও বিশদ জানতে, গবেষকরা তাদের ডিএনএ বিশ্লেষণের পরিকল্পনা করেছেন। তাঁদের মতে, এই অতীত অন্বেষণ আমাদের ভবিষ্যতকে বুঝতে এবং তাকে আরও উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। নয়ের দশকে নর্দার্ন টাক আইবিস পাখির সংখ্যা কমতে কমতে মাত্র ৫৯ জোড়ায় নেমে গিয়েছিল। বিজ্ঞানীদের প্রচেষ্টায় আজ তাদের সংখ্যা বেড়ে ৫০০-এর বেশি হয়েছে।
