Jaundice: শিশুদেরও হতে পারে জন্ডিস! কী ভাবে বুঝবেন? কী করবেন? - Bengali News | Know the jaundice symptoms for newborn babies - 24 Ghanta Bangla News
Home

Jaundice: শিশুদেরও হতে পারে জন্ডিস! কী ভাবে বুঝবেন? কী করবেন? – Bengali News | Know the jaundice symptoms for newborn babies

Spread the love

শরতেও টানা বর্ষণে ক্লান্ত বাংলা। বৃষ্টিতে পরিপূর্ণ নর্দমা, নালা, পুকুর সব কিছুই। সঙ্গে বাড়বাড়ন্ত রোগ ভোগের। এই সময় বাড়িতে যদি একজন নতুন সদস্য আসে, তাহলে তার শরীর স্বাস্থ্যের দিকে বাড়তি নজর দিতেই হবে। বিশেষ করে সদ্যজাতের যদি বড় কোনও রোগ হয় তাহলে আর চিন্তার শেষ থাকে না। তেমনই এক রোগ হল জন্ডিস। বড়দের সঙ্গে সঙ্গে সদ্যজাতরাও কিন্তু এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। নবজাতকের শরীরে বিলুরুবিনের মাত্রা বেশি থাকলে জন্ডিস হতে পারে। এই রোগ হলে চোখ হলুদ পড়ে।

শিশুদের নানা কারণে জন্ডিস হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, শিশু যত দিন মায়ের গর্ভে থাকে তত দিন মায়ের ধমনী থেকেই অক্সিজেন পায়। মায়ের শরীর থেকে গর্ভজাত শিশুর শরীরে অক্সিজেন বয়ে নিয়ে যায় লোহিত রক্তকণিকা। শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরে তার নিজের ফুসফুস কাজ করা শুরু করে দেয়। তখন অতিরিক্ত লোহিত কণিকগুলি ভাঙতে শুরু করে। লোহিত কণিকা ভাঙলে তার থেকে বিলিরুবিন নামের এক ধরনের হলুদ রঞ্জক নির্গত হয়। এই বিলিরুবিনের মাত্রা শরীরে বেশি হলেই জন্ডিস রোগ হয়।

লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যে বিলিরুবিন বার হয় তা যকৃতের মধ্যে দিয়ে যায়। সাধারণত যকৃৎ অতিরিক্ত বিলিরুবিন ছেঁকে নেয়, বাকিটা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু সদ্যোজাতদের শরীরের যকৃৎ পরিণত হয় না। তাই বাড়তি বিলিরুবিন ছাঁকতে পারে না। ফলে জন্ডিস রোগ দেখা দেয়।

এই খবরটিও পড়ুন

‘প্রিম্যাচিউরড বেবি’-দের ক্ষেত্রে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ভয় বেশি থাকে। আবার সন্তানের রক্তের গ্রুপ মায়ের রক্তের গ্রুপের থেকে আলাদা হলেও এই রোগ হতে পারে।

কী দেখে বুঝবেন শিশু জন্ডিসে আক্রান্ত?

শিশুর ত্বক, চোখ হলদেটে হয়ে যাবে। সাধারণত জন্মের ৩-৭ দিনের মধ্যে শরীরে বিলুরুবিনের মাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে। ফলে জন্ডিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি।

শিশুর ত্বকে হালকা চাপ দিলেও যদি সেই স্থান হলদেটে হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে শিশু জন্ডিসে আক্রান্ত। হাতে তালু বা পায়েও হলদেটে ছাপ দেখা যায়। শিশুর প্রস্রাবের দিকেও নজর দিতে হবে। সেই রং যদি গাঢ় হলুদ হয় তাহলে সাবধান। এই ধরনের কোনও লক্ষণ দেখলেই দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *