মায়ের চলে যাওয়া, তিলোত্তমা ঘটনার প্রভাব! দুর্গাপুজোয় বড় সিদ্ধান্ত সুদীপার - Bengali News | Sudipa Chatterjee opens up about her Durgapujo plan in this vulnarable situation - 24 Ghanta Bangla News
Home

মায়ের চলে যাওয়া, তিলোত্তমা ঘটনার প্রভাব! দুর্গাপুজোয় বড় সিদ্ধান্ত সুদীপার – Bengali News | Sudipa Chatterjee opens up about her Durgapujo plan in this vulnarable situation

দুর্গাপুজোর আর বাকি মাত্র দু’সপ্তাহ। আগামী সপ্তাহেই শেষ হবে পিতৃপক্ষ। শুরু হবে দেবীপক্ষের। তবে প্রতি বছরের মতো পুজোর সেই জৌলুস নেই। ৯ অগস্ট আরজি কর ঘটনার প্রভাব পড়েছে গোটা শহরে। তাই পুজোর আনন্দে অনেকটাই ভাটা। কিছু দিন আগেই অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক জানিয়েছিলেন এ বছর তাঁদের বাড়ির পুজো শতবর্ষে পা দিলেও অন্যান্য বারের মতো সেই জাঁকজমক, আড়ম্বর থাকবে না। তেমনই বাড়ির পুজো নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। প্রতি বছরই ধুমধাম করে দুর্গা পুজোর আয়োজন করেন অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায় এবং সুদীপা। প্রতিবারের থেকে এবছরটা যেন চট্টোপাধ্যায় পরিবারেও আনন্দ নেই। ২০২৪ সালেই নিজের মা-কে হারিয়েছেন সুদীপা। তাঁর দুই দাদাও রয়েছেন।

তাই পুজোর সময় আরও বেশি করে নিজের মায়ের কথা মনে পড়ছে তাঁর। পুজোর আগে মা-বাবারা কিছু কিনে দেবেন সেটাই স্বাভাবিক। সেই কথাগুলোই বার বার মনে পড়ছে তাঁর। সেই সঙ্গে তিলোত্তমা কাণ্ড তো আছেই। সুদীপা বললেন, “মা যে প্রতি বছর হাতে একটু টাকা দিয়ে বলতেন কিছু কিনিস। সেগুলো খুব মনে পড়ছে। প্রথম বার মা-বাবা ছাড়া পুজো। তাই আমরা ঠিক করেছি কিছু কিছু বিষয় বন্ধ রাখব। পুজোর আয়োজনে কোনও ত্রুটি হবে না। তবে হইহুল্লোড়টা এ বছর একটু কমিয়ে দেব।”

সুদীপা আরও যোগ করেন, “নবমীর পুজোর পরে আমাদের বাড়ি অতিথি আপ্যায়নের ব্যবস্থা করি। কিন্তু এ বছর সেটা বন্ধ রাখছি। অষ্টমীর রাতে গান বাজনারও আয়োজন করা হয়। সেটা আমার মা বড্ড ভালবাসতেন। তাই এই বছর আর সেটাও করছি না। আসলে মন ভাল নেই তাই উদযাপনে ঠিক মন নেই। তার মধ্যে তিলোত্তমার ঘটনা তো আছেই। আমি যত দূর শুনেছি তিলোত্তমাও পুজো করতেন। ওর পুজো এ বছর তিন না চার বছরে পা দিত। সেখানে সেই মানুষটাই আজ নেই কোথাও। তাই আমরা কী ভাবে এ বছর পুজোর উদযাপন করতে পারি। তাই পুজো হবে কিন্তু হইহুল্লোড়, বন্ধুদের সঙ্গে খাওয়া দাওয়া আনন্দ এই অংশটুকু এ বছর বাদই রাখছি।” উল্লেখ্য, সুদীপা নিজের ইউটিউব চ্যানেল খুলেছেন। সেখানে নিজের রান্নার শো সঞ্চালনা করছেন। সেই সঙ্গে ব্যবসাও চালিয়ে যাচ্ছেন জোরকদমে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *