RG Kar Protest: আরজি করের প্রতিবাদে সামিল হওয়ার ‘শাস্তি’, দুই কলেজ ছাত্রীকে ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে – Bengali News | Former minister is accused of throwing two college students out of class for joining the RG Kar Hospital protest
কলেজে বাড়ছে চাপানউতোরImage Credit source: TV 9 Bangla
বাঁকুড়া: থ্রেট কালচার শুধু রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজগুলিতেই নয়, তা এবার চেপে বসেছে রাজ্যের বিভিন্ন সাধারণ ডিগ্রি কলেজেও। অন্তত তেমন অভিযোগই সামনে চলে এল বাঁকুড়া জিলা সারদামনি মহিলা কলেজের একটি ঘটনায়। অভিযোগ, কলেজের বাইরে আর জি করের ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত একটি প্রতিবাদী স্ট্রিট পেইন্টিং কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় কলেজের দুই ছাত্রীকে ক্লাস থেকে বের করে দেন ওই কলেজের বিভাগীয় প্রধান তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা। দুই ছাত্রীকে ক্লাস করতে না দেওয়ার কথা স্বীকার করে তাঁর দাবি, ক্লাসের অনেকেই অভিযোগ করেছিলেন ওই দুই ছাত্রী ক্লাসের মধ্যে নির্দিষ্ট একটি দলের নামে চাঁদা তুলে অন্যদের উত্যক্ত করে। তাই এই ব্যবস্থা।
প্রসঙ্গত, আরজি কর কাণ্ডের আবহে রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজগুলিতে থ্রেট কালচারের বিষয়টি সামনে আসে। কিন্তু সেই থ্রেট কালচার যে শুধু মেডিক্যাল কলেজগুলিতে গেড়ে বসেছে তাই নয়, সাধারণ কলেজেও রীতিমত জাঁকিয়ে বসেছে থ্রেট কালচার। বাঁকুড়া সারদামনি মহিলা কলেজের ঘটনা যেন সেই ঘটনারই উদাহরণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন অনেকেই। জানা গিয়েছে বাঁকুড়া জিলা সারদামনি মহিলা কলেজের ভূগোল বিভাগের পঞ্চম সেমিস্টারের দুই ছাত্রী অপর্না মণ্ডল ও প্রেয়সী টুডু কয়েকদিন আগে আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে কলেজে প্রতিবাদ কর্মসূচি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেই কর্মসূচির অনুমতি না মেলায় কলেজের গেটের বাইরের রাস্তায় তাঁরা প্রতিবাদী স্ট্রিট পেইন্টিং করেন।
এই খবরটিও পড়ুন
সেই ‘অপরাধেই’ ওই দুই ছাত্রীর উপর নেমে আসে শাস্তির খাঁড়া। অভিযোগ, ওই দুই ছাত্রী পরে কলেজে ভূগোল বিভাগে ক্লাস করতে গেলে বিভাগীয় প্রধান তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা তাঁদের অপমান করে ক্লাস থেকে বের করে দেন। বিষয়টি নিয়ে ওই দুই ছাত্রী কলেজের টিচার ইন চার্জের দ্বারস্থ হলেও সুরাহা মেলেনি বলে জানা যাচ্ছে। এই ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরে এই থ্রেট কালচারের প্রতিবাদে এদিন সকাল দশটায় কলেজ গেটের সামনে ঘেরাও কর্মসূচির আহ্বান জানিয়েছেন প্রতিবাদী ওই দুই ছাত্রী। থ্রেট কালচারের ঘটনায় অভিযুক্ত বিভাগীয় প্রধান তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা অবশ্য অন্য যুক্তি দিয়েছেন। শ্যামল সাঁতরার দাবি, ওই দুই ছাত্রী প্রত্যক্ষভাবে এসইউসিআই-এর সঙ্গে যুক্ত। ক্লাসের মধ্যে ওই দুই ছাত্রী দলীয় লিফলেট ছড়িয়ে ছাত্রীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে উত্যক্ত করতো। বেশ কয়েকজন ছাত্রী লিখিতভাবে সেই অভিযোগও জানান তাঁকে। সেই ঘটনার জন্যই ওই দুই ছাত্রীকে ক্লাস না করার কথা বলা হয়েছিল। এর সঙ্গে আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদের কোনো সম্পর্ক নেই।