‘… খুঁচিয়ে ফ্রি ফুটেজ নিলেন’, সুজয়প্রসাদের পোস্ট পড়েই রুদ্রমূর্তি দেবাংশুর – Bengali News | Debangshu bhattacharya took a jibe on sujoy prosad chatterjee due to this reason
সুজয়প্রসাদের পোস্ট পড়েই রুদ্রমূর্তি দেবাংশুর
মুখ খুলেছিলেন সুজয়প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়। অভিনেত্রী মৌসুমী ভট্টাচার্যকে নিয়ে তৃণমূল-নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য ও তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের এক থ্রেডকে বিঁধে করেছিলেন পোস্ট। এবার সুজয়ের বক্তব্যের ভিত্তিতেই তাঁকে পাল্টা একহাত নিলেন দেবাংশু। কোথা থেকে ঘটনার সূত্রপাত? নেটপাড়ায় ছড়িয়ে পড়া অভিনেত্রী মৌসুমী ভট্টাচার্যর একটি সাক্ষাত্কারকে কেন্দ্র করে যত বিতর্ক। অভিনেত্রীর সাক্ষাত্কারের একটি অংশকে তুলে কুণাল ঘোষ লেখেন, “হ্যাঁ রে দেবাংশু, তোর পাত্রী দেখার কাজটা এগোব? তোর সঙ্গে বেশ মানাবে। রাগের মধ্যেই থাকে অনুরাগের বীজ। তাছাড়া, কেমন সংস্কার মানে, স্বামীর নাম মুখে আনতে চায় না। আমার তো নিজেকে এখনই ভাসুর ভাসুর লাগছে।”
কুণালের কথার রেশ টেনে দেবাংশুও লেখেন, “বলছ তাহলে কুণালদা? তুমি খুঁজে দিচ্ছ মানে এত সহজে কি না বলতে পারি! কিন্তু গলা শুনে মনে হচ্ছে বড় দজ্জাল.. টিকবে কি? বিনয় কোঙারের মতো “লাইফ হেল” করে দেবে তো! এ বাবা! এমা.. দাঁড়াও দাঁড়াও… বিবাহিত তো! সরি… সিরিয়ালে কাজ নেই। বদন বিগড়ে গিয়েছে। ডাক্তারদের আন্দোলনে বিরিয়ানি খেতে গেছে। আমাদের নাম নিয়ে একটু ফুটেজও খাক।”
মৌসুমী তাঁর সাক্ষাৎকারে ‘গণপিটুনি’র কথা বলেছিলেন। দেবাংশু ও কুণালের উপর উগরে দিয়েছিলেন ক্ষোভ। তা সত্ত্বেও তাঁর শরীর নিয়ে দেবাংশুর মন্তব্যে ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল নেটপাড়া। সুজয়প্রসাদও নিজের ছবি পোস্ট করে লেখেন, ” কুণাল বাবু কিছু বলবেন ছবিটা নিয়ে? দেবাংশু তুমি? ইংরেজি ভাষায় একটা আপ্তবাক্য একটু মনে করিয়ে দিই। eople who live in glass houses shouldn’t throw stones at others আজ তো বিশ্বকর্মা পুজো। হ্যাপি ঘুড়ি ডে।” এর পরেই সুজয়ের ওই পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করে দেবাংশু লেখেন, “অকারণ ফুটেজ খেতে ভালোবাসেন সুজয়প্রসাদ? নাকি খেয়ে দেয় কাজ কম পড়েছে? আপনার ছবি নিয়ে মন্তব্য করতে যাব কেন? আপনি কি আমার কোনো পাকা ধানে মই দিয়েছেন? দিয়ে থাকলে বলুন! তাহলে ভেবে দেখব..আপনাদের মত কিছু ট্রেন্ডে গা ভাসানো পাবলিক এই সোসাইটির সমস্যা। না জেনে, না বুঝে উল্টো পাল্টা একটা কিছু পোষ্ট করে দিলেই হল! আপনি কি জানেন ঠিক কোন বক্তব্যের ভিত্তিতে আমাদের ওই মন্তব্য? খুনের হুমকির পরেও শালীনতা মেনটেইন করতে বলছেন? সরি! পারবো না স্যার। আমাদেরও বাড়ির লোক আছে। তারাও আতঙ্কিত হন.. তারা মঙ্গল গ্রহের লোক নন। আপনার অভিনেত্রী বন্ধু কি বলেছেন, কেন বলেছেন আগে এটা খোঁজ করুন। কেন দুজনকে গণপিটুনির থ্রেট দিয়েছেন সেটার কৈফিয়ত চান। তারপর আমাদের খোঁচাতে আসবেন। আমি চিনতামও না আপনাকে! অকারণ খুঁচিয়ে পুজোর আগে ফ্রি ফুটেজ নিয়ে নিলেন.. যত্ত সব!” তবে শুধু সুজয়প্রসাদই নন দেবাংশুর ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, বিক্রম চট্টোপাধ্যায়, চৈতি ঘোষালসহ অনেকেই।