Firhad Hakim: রাশিয়ায় গিয়ে বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা ছিল, ববির বিদেশ যাত্রা বাতিল করল কেন্দ্র, কেন? – Bengali News | Central Goverment Cancel Minister Firhad Hakim’s Russia Foreign Tour
ফিরহাদ হাকিম, পুরমন্ত্রীImage Credit source: Facebook
কলকাতা: রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বিদেশ যাত্রার অনুমতি বাতিল করল কেন্দ্র। আসন্ন ব্রিকস (বিআরআইসিএস) সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য মস্কোর মেয়রের তরফে আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। কিন্তু কেন্দ্রের অনুমতি না মেলায় এ যাত্রায় মস্কো সফর বাতিল হচ্ছে ফিরহাদের।
আগামী ১৭ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর রাশিয়া সফরের কথা ছিল। দেশের একমাত্র কলকাতার মেয়রই আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনে আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন। সম্মেলন যোগ দিতে যাচ্ছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জানা যাচ্ছে, সম্মেলনের ফাঁকে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। ব্রিকসের সদস্য দেশ হিসেবে সম্মেলনে হাজির থাকবেন ব্রাজিল, চিন, দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্ রপ্রধানরা। এহেন একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েও বিদেশ মন্ত্রকের আপত্তিতে শেষ মুহূর্তে কলকাতার মেয়রের মস্কো যাত্রা বাতিল হওয়ায় রাজনৈতিক টানাপোড়েন অব্যাহত।
বস্তুত, এই ধরনের কোনও আমন্ত্রণ এলে রাজ্য ও কেন্দ্রের ছাড়পত্র থাকা জরুরি। প্রথমে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের সবজ সঙ্কেত প্রয়োজন। তা যদিও পেয়ে গিয়েছিলেন ববি। অপরদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ফরেন ব্রাঞ্চের (এফসিআরএ) অনুমতি দরকার হয়। অমিত শাহর মন্ত্রকও দিয়েছিল গ্রিন সিগন্যাল। এরপর চূড়ান্ত অনুমতি নেওয়ার সময়ই আটকে যায় বিষয়টি। কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রক অর্থাৎ এস জয়শঙ্করের মন্ত্রক তা দিতে অস্বীকার করেন।
নবান্নের এক আমলা জানিয়েছেন, সরকারি কাজের জন্য নরেন্দ্র মোদী একাধিকবার বঙ্গে এসেছেন। প্রোটোকল হিসেবে তাঁকে স্বাগত বা বিদায় জানাতে বিমানবন্দরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করতে দেখা গিয়েছে ফিরহাদকে। শুধু তাই নয়, বিজেপি বিরোধী মুখ হিসাবে পরিচিতি রয়েছে ফিরহাদ হাকিম। তবে কি সেই সমীকরণেই মেয়রকে মস্কো যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হল না? প্রশ্ন তুলেছেন ওই আমলাই।
তাঁর আরও দাবি, মূল সম্মেলনে বা তার বাইরে কোনও ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করতে পারেন বাংলার এই প্রতিনিধি। সেই আশঙ্কা থেকেই পুরমন্ত্রীর বিদেশযাত্রা বাতিল করল দিল্লি। অপরদিকে, রাজ্য প্রশাসনের এক কর্তার কথায়, ববির এই যাত্রা বাতিল জোড়াফুল ভার্সেস পদ্মফুল সংঘাতই প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়াল বলে মনে করছে রাজ্য প্রশাসনের একটা বড় অংশ।
