Medicine Price: একই ওষুধ, তবু সংস্থার হেরফেরে কেন দামের এত হেরফের হয় জানেন? – Bengali News | Do you know why the price of the same medicine fluctuates so much because of the manipulation by the company
একই ওষুধ অথচ হরেক নাম আর তাদের হরেক দাম। এমন উদাহরণ আমাদের চারপাশে ভুরি ভুরি রয়েছে। যেমন ধরুন ‘প্যারাসিটামল ৬৫০’ বা অনেকেই একে বলেন ‘পি ৬৫০’। এবার বাজারে এই একই ওষুধ নানা প্রস্তুতকারী সংস্থা তৈরি করে। তাদের নাম আলাদা আলাদ। আবার তাদের দামও কিন্তু নানা রকম। বা ধরুন অম্বল, বুক জ্বালার মতো সমস্যা থেকে বাঁচতে নিয়মিত অ্যান্টাসিড খান অনেকেই। তবে এতেও কিন্তু দামের তারতম্য রয়েছে। যার যে ব্রান্ডের ওষুধ পছন্দ সে সেই ওষুধটি খান। তবে কেন এমন হয় জানেন? একই রাসায়নিক যৌগের মিশ্রণে তৈরি করলেও নানা সংস্থা নানা দাম রাখেন কেন জানেন?
এই বিষয়ে টিভি৯ বাংলা যোগাযোগ করেছিল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অরিন্দম বিশ্বাসের সঙ্গে। তিনি বলেন, “এই বিষয়ে ‘রিসার্চ ব্র্যাণ্ড’ বলে একটি কথা আছে। যা ব্যবহার করে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা ওই নির্দিষ্ট ওষুধের দাম নির্ধারণ করে। কিছু বছর সেই দামেই ওষুধ বাজারে বিক্রি হয়। তবে তার পরে যখন অনান্য সংস্থাগুলি সেই একই কম্পোজিশন ব্যবহার করে একই ওষুধ নির্মাণ শুরু করে তখন বাজারের টিকে থাকতে সবাইকেই দামের তারতম্য ঘটাতে হয়।”
অরিন্দমবাবু আর জানান, মূল ওষুধ যাই হোক না কেন, সেই সব রাসায়নিক যৌগকে ওষুধের আকার দিয়ে বাজারে বিক্রি করতে গেলে কিছু ‘বাইন্ডিং মেটেরিয়াল’ (বিভিন্ন যৌগকে ওষুধের রূপ দিতে যে রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়) তার গুণগত মানের তারতম্যের ফলেও ওষুধের দামেও পার্থক্য তৈরি হয়। ডাঃ বিশ্বাসের কথায়, “এমন অনেক সময় হয় যে একই ওষুধ কেবল ‘বাইন্ডিং মেটেরিয়াল’-এর গুণগত মানের পার্থক্যের ফলে কোনওটি হয়ত শরীরে গিয়ে খুব তাড়াতাড়ি কাজ করে আবার কোনওটির কার্যক্ষমতাই কম হয়।”
এই খবরটিও পড়ুন
অরিন্দমবাবু আরও বলেন, “তবে এখানে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। যতই রিসার্চ ব্রাণ্ড তাঁদের ওষুধের গুণগত মান শ্রেষ্ঠ বলে দাবি করুক না কেন, ভারতে তা কতটা মেনে চলা হয় সেই বিষয়ে ধন্দ রয়েছে। তবে যে কোনও ওষুধ বাজারে ব্যবহারের অনুমতি দেয় সরকার। তাই তা সঠিক গুণগত মানের কিনা সেই বিষয়ে সরকারকেই আরও সচেতন হতে হবে। তবেই স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নতি সম্ভব।”