পড়ানোর অছিলায় দাদা জোর করে শারীরিক সম্পর্কের চেষ্টা করে: লাফটারসেন - Bengali News | Niranjan mondal aka laughter sane talks about a tragic incident in past - 24 Ghanta Bangla News
Home

পড়ানোর অছিলায় দাদা জোর করে শারীরিক সম্পর্কের চেষ্টা করে: লাফটারসেন – Bengali News | Niranjan mondal aka laughter sane talks about a tragic incident in past

Spread the love

নিরঞ্জন মন্ডলকে চেনেন? হঠাৎ করে এই নাম নিলে অবাক লাগতেই পারে কারণ আমজনতার কাছে তিনি পরিচিত লাফটার সেন হিসেবে। মজার মজার কন্টেন্ট তৈরি করে মানুষকে হাসানোই তাঁর কাজ। অসাধারণ অভিনয়, দুর্দান্ত মেকআপ স্কিল আর মজাদাঁড় স্ক্রিপ্টের মধ্যে দিয়ে বিগত বেশ কিছু সময় ধরেই মানুষের মন জয় করে চলেছেন তিনি। তবে এই হাসির পিছনে যে লুকিয়ে রয়েছে ছোটবেলার তিক্ত স্মৃতি, রয়েছে অপমান, পরিবারের থেকে আলাদা হওয়ার ব্যথা তা কি জানতেন?

এই মুহূর্তে আরজি কর কাণ্ডে দেশ উত্তাল। ‘হোয়ারএভার আই গো/ ওয়াটএভার আই ওয়ার/ নো মিনস নো। ইয়েস মিনস ইয়েস– এই স্লোগানেও উত্তাল সামাজিক মাধ্যম থেকে রাজপথ। তারকা থেকে শুরু করে সাধারণ– জীবনের কোনও না কোনও সময়ে হওয়া শারীরিক নির্যাতন নিয়ে মুখ খুলছেন সকলেই। এই আবহেই ভাইরাল হয়েছে ‘জোশ টকস’কে দেওয়া নিরঞ্জনের এক ভিডিয়ো। নিরঞ্জন সমকামী, বাহ্যিক ভাবে পুরুষ হলেও, অন্ততে তিনি নারী। আর এই কারণে ছোটবেলায় হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে তাঁকে।

তাঁর কথায়, “আসলে এমন একটা সমাজে আমরা বাস করি যেখানে পুরুষ মানেই আপনাকে সিংহ হতে হবে। এখানে সমকামী হওয়া পাপ। সংবিধান মেনে নিয়েছে কিন্তু তাও সমাজের চোখে পাপ। যখন ক্লাস সিক্স সেভেনে পড়ি তখন আমার বাড়ির পাশেই এক অবাঙালি দাদা থাকত। তার কাছে আমি অঙ্ক করতে যেতাম। কিছু দিন পর দাদা আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করার চেষ্টা করে। তখন আমি একেবারেই বাচ্চা। যে যা বলত করে নিতাম। এত কিছু বুঝতে পারতাম না। ভাবতাম ভগবান শাস্তি দেবে।” এখানেই শেষ নয়, উভকামীর পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েও মন ভেঙেছে নিরঞ্জনের। যাকে ভালবেসেছেন, জানতে পেরেছেন সেই পুরুষের কয়েকদিন পর বিয়ে। সমাজের উপেক্ষা, সমকামী হওয়ার কারণে লোকের হাসাহাসি তাঁকে নিয়ে আজও চলে ক্রমাগত। নিরঞ্জন অবশ্য এ সব নিয়ে আজ আর ভাবেন না। সমাজের নানা জ্বলন্ত সমস্যাকেই কমিক আকারে পরিবেশনা করাই তাঁর কাজ। এই মুহূর্তে সফল কন্টেন্ট ক্রিয়েটারদের মধ্যে তিনি অন্যতম। অনুরাগীর সংখ্যাও আকাশছোঁয়া।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *