ঘুষ কাণ্ডে লারসেন অ্যান্ড টুব্রোর প্রধানের সাক্ষ্য চাইল মার্কিন সরকার! - Bengali News | Cognizant bribery case: USA seeks testimony from Larsen & Toubro chief - 24 Ghanta Bangla News
Home

ঘুষ কাণ্ডে লারসেন অ্যান্ড টুব্রোর প্রধানের সাক্ষ্য চাইল মার্কিন সরকার! – Bengali News | Cognizant bribery case: USA seeks testimony from Larsen & Toubro chief

Spread the love

নয়া দিল্লি: ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে নির্মাণ সংস্থা লারসেন অ্যান্ড টুব্রোর মাধ্যমে সরকারি কর্তাদের ঘুষ দিয়েছিল কগনিজেন্ট টেকনোলজি সলিউশন? উত্তর খুঁজতে, লারসেন অ্যান্ড টুব্রোর প্রধান, এসএন সুব্রহ্মণ্যন এবং এলএন্ডটি ও কগনিজেন্টের আরও কয়েকজন কর্মচারীর সাক্ষ্য চাইল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দ্য মিন্টের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতে দ্রুত নির্মাণের অনুমতি পেতে সরকারি কর্তাদের ঘুষ দেওয়ায় অভিযোগ উঠেছে কগনিজেন্টের প্রাক্তন সিওও গর্ডন কোবার্ন এবং প্রধান আইনী কর্তা স্টিভেন শোয়ার্টজের বিরুদ্ধে। আমেরিকায় এই বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। আর এই ঘুষের মামলায় সেই কারণেই সুব্রহ্মণ্যন ও অন্যান্যদের সাক্ষ্য প্রয়োজন।

দ্য মিন্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যে সময়ের এই অভিযোগ, সেই সময় এলঅ্যান্ডটি-র নির্মাণ ব্যবসার প্রধান পদে ছিলেন এসএন সুব্রহ্মণ্যন। একই সময়ে চেন্নাই এবং পুনেতে অফিস ক্যাম্পাস তৈরির অনুমতি চাইছিল তথ্য প্রযুক্তি পরিষেবা সংস্থা কগনিজেন্ট। সেই অনুমতি দ্রুত পেতেই ভারতীয় সরকারি কর্তাদের ঘুষ দিয়েছিল কগনিজেন্টের কয়েকজন কর্মচারী। এমনই অভিযোগ উঠেছে। এসএন সুব্রহ্মণ্যন ছাড়া এলঅ্যান্ডটি-র আরও চার কর্মীর সাক্ষ্য চেয়েছে মার্কিন সরকার। তাঁরা হলেন, রমেশ ভাদিভেলু, আদিমুলাম থিয়াগরাজন, বালাজি সুব্রহ্মণ্যন এবং টি নন্দ কুমার। এছাড়া, কগনিজেন্টের দুই প্রাক্তন কর্মচারী, ভেঙ্কটেসন নটরাজন এবং নাগাসুব্রহ্মনিয়ন গোপালকৃষ্ণনকে এই মামলায় সাক্ষ্য দিতে বলা হয়েছে।

তবে প্রতিবেদন অনুযায়ী, এলঅ্যান্ডটি এবং কগনিজেন্টের এই কর্মীদের সাক্ষ্য আগেই চেয়েছিল মার্কিন সরকার। ২০২৩ সালের মার্চ মাসেই মার্কিন বিদেশ দফতর চিঠি পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে। তবে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সেই সময় মার্কিন সরকারের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছিল। এরপর, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তির অধীনে ভারত সরকারের কাছে এই অনুরোধ জানিয়েছে মার্কিন বিচার বিভাগ। গর্ডন কোবার্নের আইনজীবী বলেছেন, “ভারত সরকার মার্কিন আদালতের অনুমোদিত আদেশগুলি পালন করতে অস্বীকার করেছে। তাই, এই সাক্ষীদের কাছ থেকে সাক্ষ্য আদায় করার একমাত্র উপায় হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের মধ্যে পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তি।”

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের অক্টোবরেই মার্কিন কর্তৃপক্ষকে কগনিজেন্ট জানিয়েছিল, ভারতে তারা এমন কিছু অর্থপ্রদান করেছে, যা মার্কিন ‘ফরেন করাপ্ট প্র্যাকটিস অ্যাক্ট’ লঙ্ঘন করে থাকতে পারে। এই আইনে, মার্কিন নাগরিক এবং সংস্থাগুলিকে বিদেশি সরকারি কর্তাদের ঘুষ দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ওই সময়ই কগনিজেন্ট ছেড়েছিলেন কোবার্ন। তবে এই বিতর্ক তাঁর পিছু ছাড়েনি। তাঁর এবং সংস্থার প্রাক্তন প্রধান আইনি কর্তা স্টিভেন শোয়ার্জের বিরুদ্ধে, চেন্নাইয়ের সরকারি কর্তাদের মোট ২.৫ মিলিয়ন ডলার ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ফলে, এই আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।

আরও খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Tv9 বাংলা অ্যাপ (Android/ iOs)

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *