'ইন্সপেক্টর আমার বন্ধু, ওকে খুশি করো রাতে', প্রথমে মেয়েকে, তারপর মাকে ধর্ষণ! শেষে... - Bengali News | Man physically assault mother daughter, force to have relation with police inspector by blackmailing showing video - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘ইন্সপেক্টর আমার বন্ধু, ওকে খুশি করো রাতে’, প্রথমে মেয়েকে, তারপর মাকে ধর্ষণ! শেষে… – Bengali News | Man physically assault mother daughter, force to have relation with police inspector by blackmailing showing video

Spread the love

লখনউ: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, মা-কেও ছাড়ল না অভিযুক্ত। তরুণীর মাকেও যৌন নির্যাতন করল অভিযুক্ত। এতেও থামেনি অভিযুক্ত। যৌনতার ভিডিয়ো ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে প্রস্তাব দিল, ইন্সপেক্টর বন্ধুকেও খুশি করার। দিনের পর দিন স্ত্রী ও মেয়েকে যৌন নির্যাতনের শিকার হতে দেখেই, সোজা পুলিশ সুপারিন্টেন্ডেন্টের কাছে অভিযোগ জানালেন নির্যাতিতার বাবা।

ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের বরৈলীতে। সেখানে এক যুবতীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত। তাদের শারীরিক সম্পর্কের ভিডিয়োও রেকর্ড করে রাখে অভিযুক্ত। এরপর থেকেই ব্ল্যাকমেইল করতে শুরু করে অভিযুক্ত। এমনকী, নির্যাতিতার মাকেও বাধ্য করায় শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করার জন্য।

নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে, পুলিশে অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু এখানেও ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে অভিযুক্ত। সে জানায়, তার বন্ধু থানার ইন্সপেক্টর। যদি তাঁকে ‘খুশি’ না করে, তাঁর ভিডিয়ো ভাইরাল করে দেওয়া হবে। এরপরই নির্যাতিতার বাবা সরাসরি পুলিশ সুপারের কাছে গিয়ে অভিযোগ জানান। নির্যাতিতা ও তাঁর মায়ের বয়ানের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযোগ দায়ের করেছে। যে ইন্সপেক্টরকে ‘খুশি’ করার কথা বলেছিল অভিযুক্ত, তাঁর বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

এই খবরটিও পড়ুন

নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী, অভিযুক্ত তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। পরিবারের সঙ্গে দেখা করানোর অছিলাতেই হোটেলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত। এরপর থেকে তাদের শারীরিক সম্পর্কের ভিডিয়ো ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখাতে শুরু করে। অভিযুক্ত কাজের অছিলায় নির্যাতিতার মাকে বাড়ি নিয়ে গিয়ে শারীরিক নির্যাতন করে। এক পুলিশ ইন্সপেক্টরের সঙ্গেও তাঁকে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে জোর করে।

আরও খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Tv9 বাংলা অ্যাপ (Android/ iOs)

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *