Bangladesh: ‘ভাবুন একেবারে যদি হাজার বাংলাদেশি ঢুকে পড়ে কী হবে?’, আজও BSF -এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বর্ডার পাহাড়া দিচ্ছে সাতকুড়াবাসী – Bengali News | People in Indo Border Area Jalpaiguri Satpura they are Afraid That If Bangladeshi People Entry In India
বাংলাদেশিদের প্রবেশ রুখতে পাহাড়ায় সাতকুড়াImage Credit source: Tv9 Bangla
জলপাইগুড়ি: বুধবারের চিত্রটা দেখার পর আতঙ্ক কাটেনি সাতকুড়ার গ্রামবাসীদের। যদি ঢুকে পড়ে বাংলাদেশিরা…তাঁরা যাবেন কোথায়? এই ভয় কার্যত তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে এপার অর্থাৎ সীমান্তে থাকা ভারতীয়দের। গতকাল রাত্রি এগারোটা পর্যন্ত বিএসএফ-এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সীমান্ত পাহাড়া দিয়েছেন তাঁরা। অনুপ্রবেশ যে রুখতেই হবে! আবার ওপারের সংখ্যালঘু হিন্দুরাও টঠস্থ। তাঁরাও বলছেন, ‘অত্যাচারের জন্য পালিয়ে এসেছি। বিএসএফের গুলি খেয়ে মরব তাও ভাল, তবু বাংলাদেশে থাকব না।’ ফলত, কাঁটাতারের এপার আর ওপারে চলছে এক অজানা ‘লড়াই’।
গতকাল রাত্রি ১১টা নাগাদ এ দেশে ঢুকতে চাওয়া বাংলাদেশিদের বুঝিয়ে পাঠায় বিএসএফ। তবে বৃহস্পতিবার সকালে কাঁটাতারের ওপারে কাউকে দেখা যায়নি। তবে সাতকুড়ার বাসিন্দাদের আশঙ্কা আজ ফের বাংলাদেশি সংখ্যালঘু হিন্দুরা ঢুকে পড়তে পারে এদেশে। তাই কাল রাতের পর আজও দফায়-দফায় পাহাড়া দিচ্ছেন তাঁরা। এক বাসিন্দা বললেন, “রাত এগারোটা পর্যন্ত ওরা কাঁটাতারের ওপারে ছিল। তারপর বিজিবি এসে নিয়ে চলে গিয়েছে। আমরা আশঙ্কায় আছি। আজ ওরা ফের আসতে পারে।” তিনি আরও বলেন, “সংখ্যালঘু হিন্দুরাই মূলত থাকেন। কাল প্রায় হাজারের উপর লোক ছিলেন।” আরও একজন বলেন, “আমরা ওরা মিলেমিশে থাকি। কিন্তু ভাবুন একবারে যদি হাজার লোক ঢুকে পড়ে। বিএসএফ আজ সকাল থেকেই ঘোরাঘুরি করছে। এখনও পর্যন্ত আমরা ঠিকই আছি।”
বস্তুত, যে সকল বাংলাদেশিরা গতকাল প্রবেশ করতে চেয়েছিলেন তাঁরা মূলত সানসেরপুরা, ধামেরঘাট, চিরাকুটি, লাখিপাড়া, বোনাগ্রাম, কাঠুমারি, পানিডুবি ও বানিয়াপাড়ার বাসিন্দা। এই গ্রামগুলি সীমান্ত থেকে মাত্র ২-৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এগুলির পাশেই রয়েছে ভারতে ধাধারা পাড়া, সাতকুড়া গ্রাম। বুধবার দুপুরে দেখা যায়, আচমকা প্রচুর বাংলাদেশি মানুষ ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাঁরা বেশিরভাগই হিন্দু বলে জানিয়েছে বিএসএফ। প্রথমে তাঁদের নিজের দেশে ফিরে যেতে বলেন জওয়ানরা। তবে, প্রথমে তাঁরা কথা শোনেননি। এরপর এরপর বিএসএফের তরফে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী অর্থাৎ বিজিবি-র সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। বিজিবি-র আধিকারিক ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আজও সকালে পেট্রোলিং চালাচ্ছে জওয়ানরা।