Garhchumuk: 'পয়সাওয়ালা লোক বলেই তো...', ১১ হাজার ভোল্টের তারে ঝুলছে শরীর, গড়চুমুক পর্যটনকেন্দ্রে শিউরে ওঠার মতো ঘটনা - Bengali News | Garhchumuk A person died after being electrocuted by an 11,000 volt wire at Garchumuk tourist center - 24 Ghanta Bangla News
Home

Garhchumuk: ‘পয়সাওয়ালা লোক বলেই তো…’, ১১ হাজার ভোল্টের তারে ঝুলছে শরীর, গড়চুমুক পর্যটনকেন্দ্রে শিউরে ওঠার মতো ঘটনা – Bengali News | Garhchumuk A person died after being electrocuted by an 11,000 volt wire at Garchumuk tourist center

Spread the love

গড়চুমুক পর্যটনকেন্দ্রে হুলুস্থুলকাণ্ডImage Credit source: TV9 Bangla

হাওড়া: হোটেলের মেইন গেটের গা বেঁয়ে গিয়েছে ১১ হাজার ভোল্টের তার। গেট থেকে বেরনোর সময়ে সেই তারেই স্পর্শ হয়ে যায় এক হোটেল কর্মীর শরীর। তারে ঝুলতে থাকেন তিনি। ১১ হাজার ভোল্টের তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় হোটেলেরই এক কর্মীর। আর সেই দেহ উদ্ধার করতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিক্ষোভের মুখে পড়ল পুলিশ। ঘটনাকে ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্র। পুলিশকে লক্ষ্য করে শুরু হয় ইটবৃষ্টি। পাল্টা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে লাঠিচার্জ করতে হয় পুলিশকে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,  হাওড়ার গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্রে একটি হোটেল রয়েছে। সেই হোটেলের গেটের বাইরে ১১ হাজার ভোল্ট বিদ্যুতের তার গিয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন। বুধবার সকালে হোটেলের গেট থেকে বেরনোর সময়ে সেই বিদ্যুতের তারেই স্পৃষ্ট হন এক হোটেল কর্মী। তারেই ঝুলতে থাকে শরীর।

হোটেল কর্মীকে ওই অবস্থায় দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, ওই এলাকায় হোটেল কীভাবে নির্মীত হল, সেটাই প্রশ্নের। পুলিশ দেহ উদ্ধার করতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ভিড়ের মধ্যে থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে শুরু হয় ইটবৃষ্টি।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পাল্টা লাঠিচার্জ করে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, হাওড়ার গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্রের ঠিক গেটের মুখে ১১ হাজার ভোল্টের তারের উপর দিয়েই তৈরি হয়েছে অবৈধ হোটেল। এক স্থানীয় যুবক বললেন, “হল কীভাবে বিল্ডিংটা? সেটা পুলিশও জানে, নেতারাও জানেন। প্রভাবশালী ব্যক্তি পয়সাওয়ালা লোক।” স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানাচ্ছেন, আগে এখানে একটা ছোট গুমটি মিষ্টির দোকান ছিল। সেই দোকানেই কীভাবে এত বড় রেস্টুরেন্ট হল. কে অনুমতি দিল, সেটাই প্রশ্ন। যদিও ঘটনার পর থেকে রেস্টুরেন্টের মালিকের আর দেখা মেলেনি এলাকায়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *