Cancer Device: মুখের ক্যানসার সহজেই শনাক্ত করা যাবে, বিশেষ যন্ত্র তৈরি করে চমক দিল আইআইটি কানপুর – Bengali News | Mouth cancer can detect easily IIT Kanpur invented new device
মুখের ক্যানসার সহজে শনাক্তকরণের জন্য আসছে নতুন ডিভাইস।
বর্তমানে ভারত তথা গোটা বিশ্বে ক্যানসার আক্রান্তের হার বাড়ছে। স্তন ক্যানসার, জরায়টু ক্যানসার থেকে মুখের ক্যানসার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অতিরিক্ত বাড়ছে। অনেক সময়ই রোগ ধরা পড়তে দেরি হয়ে যায়। ফলে রোগীর প্রাণ বাঁচানো দুষ্কর হয়ে ওঠে। এই পরিস্থিতিতে মুখের ক্যানসার শনাক্ত করতে আইআইটি কানপুর একটি নতুন ডিভাইস তৈরি করেছে। এই ডিভাইসটি মুখ পরীক্ষা করার জন্য বিশেষ আলো এবং ক্যামেরা ব্যবহার করে,মুখের ছবি বিশ্লেষণ করে এবং সহজেই শনাক্ত করতে পারে যে সেগুলি স্বাভাবিক নাকি প্রাক-ক্যানসার বা ক্যানসার। এর ফলাফল স্মার্টফোন অ্যাপে দেখা যাবে।
ক্যানসার শনাক্তকরণের এই ডিভাইসটি আইআইটি কানপুরের অধ্যাপক ড. জয়ন্ত কুমার সিং এবং তাঁর দল উদ্ভাবন করেছে। এই ডিভাইসটিতে সাদা এবং ফ্লুরোসেন্স লাইট রয়েছে যা স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, আইপ্যাড ইত্যাদির সঙ্গে সংযুক্ত হয়। পাওয়ার ব্যাকআপের ব্যবস্থাও রয়েছে। এটি ক্লিনিকাল সেটিংসে ৯০ শতংশ নির্ভুল পরীক্ষার ফল দিচ্ছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যথাহীন। এটি নিরাপদ এবং রেডিওলাইন-মুক্ত। এর জন্য অন্য কোনও রাসায়নিকের প্রয়োজন নেই। এই ডিভাইসটি খুব অল্প সময়ে ক্যানসার শনাক্ত করে। শীঘ্রই এটি বাজারে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। আইআইটি এই ডিভাইসটি স্ক্যানজেনি সায়েন্টিফিক প্রাইভেট লিমিটেডকে দিয়েছে।
শীঘ্রই ক্যানসার ধরা পড়বে
আইআইটি কানপুরের ডিরেক্টর অধ্যাপক ড. মণীন্দ্র আগরওয়াল জানান, আইআইটি কানপুর উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা দিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে এবং গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যাগুলির মোকাবিলা করছে। ক্যানসার শনাক্তকরণের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, ‘মাউথ টেস্টার’ স্ক্যানজেনি সায়েন্টিফিক প্রাইভেট লিমিটেডকে হস্তান্তর করায় তিনি আনন্দিত বলে জানিয়েছেন। অধ্যাপক ড. জয়ন্ত কুমার সিং এবং তাঁর দলকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এই ডিভাইসটি মুখের ক্যানসারের প্রাথমিক শনাক্তকরণের উন্নতিতে উল্লেখযোগ্যভাবে ভূমিকা নেবে।
প্রতি বছর ক্যানসার রোগীর সংখ্যা বাড়ছে
ভারতে প্রতি বছর ক্যানসার রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। ২০২২ সালে এই রোগের ১৪ লক্ষের বেশি মানুষ আক্রান্ত ছিল। প্রতি বছর এই সংখ্যা বাড়ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যানসার শনাক্ত করা হলে রোগের চিকিৎসাও সহজ হবে।