হায় রে, জন্ম মাসেই মৃত্যু! প্রয়াত ফারহা খানের অতি কাছের মানুষ – Bengali News | Bollywood director farah khan lost her dear ones
ঘোর দুঃসংবাদ পরিচালক ও কোরিওগ্রাফার ফারহা খানের পরিবারে। প্রয়াত হয়েছেন তাঁর মা মেনকা ইরানি। বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। মাত্র দুই সপ্তাহ আগেই মায়ের জন্মদিন পালন করেছিলেন ফারহা। হাজির ছিল গোটা পরিবার। কিন্তু দুই সপ্তাহ যেতে না যেতেই অঘটন। জন্ম মাসই হয়ে দাঁড়াল মৃত্যু মাস। শিশুশিল্পী ডিইজি ইরানি ও হানি ইরানির বোন ছিলেন তিনি। নিজেও ‘বাচপন’ বলে এক ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। ছবিটিতে অভিনয় করেছিলেন সলমন খানের বাবা তথা চিত্রনাট্যকার সেলিম খান। পরবর্তীকালে চিত্রপরিচালক কামরানকে বিয়ে করেন মেনকা। শোনা যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন মেনকা। সেই কারণেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর।
ফিল্মি পরিবারের অংশ হলেও বিবাহ পরবর্তী জীবনে বেশ কষ্টের মধ্যেই পার করেছেন মেনকা। চরম দারিদ্র্যের মধ্যে দিন কাটাতে হয়েছে মেয়ে ফারহা ও ছেলে সাজিদ খানকে। মদে আসক্ত হয়ে মৃত্যু হয় মেনকার স্বামী। তখন সাজিদ ও ফারহা খুবই ছোট। স্বামীর নেই, আয়ও এক ধাক্কায় কমে যায়। অতীতে এ নিয়ে মুখ খুলেছিলেন ফারহা। তিনি বলেন, “কাকা-জ্যাঠাদের মধ্যে আমরাই সবচেয়ে গরীব ছিলাম। সব টাকা চলে যায়, বাবার ছবি ফ্লপ হতে শুরু করে। সব সম্পত্তিও চলে যায় আমাদের।” যদিও মা মেনকা হাল ছাড়েননি। দুই ছেলে মেয়েকে মানুষ করেন। আজ তাঁরা পরিচিত। তবে যার জন্য এত কিছু সেই মানুষটিই আর রইলেন না।
প্রসঙ্গত, মায়ের জন্মদিন এই কয়দিন আগেই একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করে এক আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন। তিনি লেখেন, “আমরা আসলে আমাদের মা’কে টেকেন ফর গ্র্যান্টেড করে নিই। আমিও তার ব্যতিক্রম নই। তবে আজ বুঝছি মাকে কতটা ভালবাসি। ওর মতো সাহসী মানুষ আগে আমি কোনওদিন দেখিনি। এতগুলো অস্ত্রোপচারের পরেও মুখে হাসি অটুট। আরও শক্তি সঞ্চয় করে আমার সঙ্গে ঝগড়া কর।” যদিও ঝগড়া করার মানুষটাই আর রইলেন না। ফারহার জীবনে অন্ধকার।